Special Intensive Revision

অবিলম্বে বদলির নির্দেশ বাতিল করতে হবে, তিনজন রোল অবজার্ভারের বদলিতে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন

কমিশনের বক্তব্য, এই তিন আইএএস এসআইআররের কাজের জন্য নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশনে রয়েছেন। তাই তাঁদের বদলি করতে গেলে কমিশনের অনুমতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রে রাজ‍্য সরকার কমিশনের কাছ থেকে কোনও অনুমোদন নেয়নি।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০১:৪১

রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া চলাকালীন তিনজন রোল অবজার্ভারকে বদলির নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। রাজ‍্য সরকারের এ হেন কাজে ক্ষুব্ধ জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ, তাঁদের বদলি করা যাবে না। ভবিষ্যতে যদি কোনও এসআইআরের কাজে যুক্ত আধিকারিককে বদলি করতে হয় তাহলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। মঙ্গলবার রাজ‍্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এসআইআরের কাজের জন্য ১২ জন আইএএস আধিকারিককে রোল অবজার্ভার এবং পাঁচজন ডিভিশনাল কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের মধ্যে কয়েক জনকে বদলি করে দিয়েছে নবান্ন। আর তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। তাঁরা জানিয়েছে, কমিশনের অনুমতি ছাড়া ওই সব আধিকারিকদের বদলি বা অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ‍্য সরকার।

কমিশনের নজরে এসেছে, রাজ্য সরকার গত ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সালের ২০ জানুয়ারি এবং ২১ জানুয়ারি তিন দফায় তিনজন আইএএস আধিকারিককে বদলির নির্দেশ জারি করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের রোল অবজার্ভার অশ্বিনীকুমার যাদব, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের রোল অবজার্ভার রণধীর কুমার, এবং পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূমের রোল অবজার্ভার স্মিতা পান্ডে।

কমিশনের বক্তব্য, এই তিন আইএএস এসআইআররের কাজের জন্য নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশনে রয়েছেন। তাই তাঁদের বদলি করতে গেলে কমিশনের অনুমতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রে রাজ‍্য সরকার কমিশনের কাছ থেকে কোনও অনুমোদন নেয়নি।

এমন পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারকে কমিশন অবিলম্বে বদলির নির্দেশ প্রত‍্যাহার করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশনের কাছ থেকে সম্মতি নিতে হবে বলেও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করা হয়েছে কি না তা ২৮ জানুয়ারি দুপুর ৩টের মধ্যে লিখিত ভাবে জানাতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


Share