Special Intensive Rivision

‘মৃত ভোটার’ বিতর্কে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ, ফর্ম ৭ নিয়ে টানাপড়েনে সময়সীমা বাড়াল নির্বাচন কমিশন

মৃত ভোটার বিতর্কে তৃণমূল–বিজেপির চাপানউতোরের মাঝেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। ফর্ম ৭ জমা ঘিরে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভের পর মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ১৯ জানুয়ারি।

সিইও অফিস
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:১০

বিভিন্ন সভায় ‘মৃত’ ভোটারদের হাজির করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গরমিলের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা বিজেপির দাবি, মৃত ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে দিচ্ছে না শাসক দল। ফর্ম ৭ জমা দিতে না দেওয়ার অভিযোগে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভে দেখান বিজেপি নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার সময়সীমা বাড়াল নির্বাচন কমিশন।

পূর্বের নির্দেশিকা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ছিল মৃতদের নাম বাদ দেওয়ার শেষ দিন। তবে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ফর্ম ৭ জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ চলে। তার পরই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন।

উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা বিডিও অফিসের সামনে ফর্ম ৭ জমা নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপি। অভিযোগ, কয়েক হাজার ফর্ম জমা দেওয়া হলেও বিডিও অফিসের তরফে রিসিড দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। রিসিড দেওয়ার দাবিতেই বিডিও-র ঘরের সামনে অবস্থানে বসেন বিজেপি কর্মীরা।

একই ধরনের চিত্র দেখা যায় বাঁকুড়াতেও। সেখানে বিজেপির অভিযোগ, ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাধা দেয়। আলিপুরদুয়ারে ওঠে আরও গুরুতর অভিযোগ। আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকে প্রায় দু'হাজার বাংলাদেশির তথ্য সংবলিত নথি জমা দিতে গেলে বিএলএ-দের কাছ থেকে এআরও তা গ্রহণ করেননি বলে দাবি করা হয়।

দিনভর এই বিক্ষোভ ও অবস্থানের পরই মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় মৃত্যু বা স্থানান্তরের কারণে ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ দিতে হলে ফর্ম ৭-এর মাধ্যমেই আবেদন জানাতে হয়।


Share