Special Intensive Rivision

শনিবার রাতে দিল্লি থেকে এসেছে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা, তার আগেই প্রকাশিত তালিকা নিয়ে জেলাশাসকদের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

শনিবার তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা রাজ্যের সিইও দফতরের পৌঁছানোর আগেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকা। এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এই তালিকা কোথা থেকে এলো? অথবা কি করেই বা প্রকাশিত হলো?

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৮

শনিবার রাতে দিল্লি থেকে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি) তালিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরে। পাশাপাশি, পাঠানো হয়েছে ‘নো-ম্যাপিং’ ভোটার তালিকাও। সেই রাতে ইআরও-দের কাছে পাঠানো হয়েছে তালিকা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই রবিবার থেকে টাঙানো শুরু হবে।

শনিবার তথ্যগত অসংগতির তালিকা রাজ্যের সিইও দফতরের পৌঁছানোর আগেই  রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ করা হয়েছে এই তালিকা। এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, এই তালিকা কোথা থেকে তাঁদের কাছে এলো? অথবা কী করেই বা প্রকাশিত হল?

শনিবার থেকেই ভাঙড়-সহ বিভিন্ন জেলার দফতরগুলিতে তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। সেই বিষয়টি জানাজানি হতেই বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। যে সমস্ত জায়গায় এই তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেই সব জেলার ডিইও তথা জেলাশাসকদের কাছে রিপোর্ট চাইল কমিশন।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট শুনানিতে লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ অনুযায়ী, গত বুধবার কমিশন জানিয়েছিল, শনিবারেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা ‘নো-ম্যাপিং’ ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে। শনিবার একসঙ্গে দুই তালিকা মিলিয়ে প্রায় এক কোটি ২৬ লক্ষ নাগরিকের তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। শনিবার রাতে সেই তালিকা দিল্লি থেকে এলেও তা সাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়নি।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে শনিবার রাতে তালিকা রাজ্যের সিইও দফতরে এসে পৌঁছোয়। ইআরও-দের কাছে ওই তালিকা পাঠানো হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে গ্রামের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিস এবং পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড অফিসে টাঙানো হবে এই তালিকা।


Share