Anandapur Incident

আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার মোমো কারখানার ম্যানেজার-সহ দুই, পেশ করা হবে বারুইপুর আদালতে

রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনার পরে আনন্দপুরের ঘটনাস্থলে যান। পরিদর্শন করার জানিয়েছিলেন, এফআইআর দায়ের করা হবে। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা রুজু করে। সেই মামলার ভিত্তিতে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার তিন জন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৬

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আরও দু’জন। ধৃতদের নাম রাজা চক্রবর্তী এবং মনোরঞ্জন সিট। পুলিশ সূত্রের খবর, তাঁরা মোমো কারখানার কাজ করতেন। এর আগে ডেকরেটর গুদামের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সব মিলিয়ে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন জন।

জানা গিয়েছে, রাজা চক্রবর্তী মোমো কারখানার ম‍্যানেজার ছিলেন। ওই কারখানায় ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মনোরঞ্জন সিট। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদেরকে নরেন্দ্রপুর থানা এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার ধৃতদের বারুইপুর আদালতে হাজির করানো হবে।

গত ২৫ জানুয়ারি আনন্দপুরের নাজিরাবাদের একটি ডেকরেটরের গুদাম এবং একটি মোমো কারখানায় আগুন লাগে। প্রায় ৭২ ঘন্টা পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২১ জনের দেহাংশের ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। ২৯ জনের নামে থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়েছে। গত পড়শু রাতে ডেকরেটর সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাসকে গড়িয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনার পরে আনন্দপুরের ঘটনাস্থলে যান। পরিদর্শন করার জানিয়েছিলেন, এফআইআর দায়ের করা হবে। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা রুজু করে। সেই মামলার ভিত্তিতে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বারুইপুর আদালতের অনুমতি নিয়ে এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। তা উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবার সেখানে হাজির হন মিছিল করতে চেয়েছিলেন রাজ‍্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কেরা। কিন্তু মিছিল করার অনুমতি পাননি। কলকাতা হাই কোর্টের দারস্থ হন। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে শুক্রবার সকাল সাড়ে গড়িয়া শীতলা মন্দির থেকে ১১টা থেকে নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত মিছিল করবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।


Share