CBI Raid

হাজার কোটি টাকার ব‍্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগ! আলিপুরে ব‍্যবসায়ীর বাড়িতে সিবিআইয়ের অভিযান, চলছে তল্লাশি

সিবিআই সূত্রের খবর, কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও যোগ রয়েছে এই সংস্থার। যে বহুতলে এই অফিস, সেটাও কানোরিয়ার কোম্পানি শ্রেয়ী ফাউন্ডেশনের নামে একটি সংস্থার। সেখানেও সিবিআই আধিকারিকের অভিযান চালাচ্ছে।

সিবিআই আধিকারিকেরা ব‍্যবসায়ীর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫২

সাতসকালে সিবিআইয়ের অভিযান। হাজার কোটি টাকা ব‍্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগে শহরে একাধিক ঠিকানায় পৌঁছে গিয়েছে তাঁরা। প্রথমে আলিপুরে নিউ রোডের একটি আবাসনে তদন্তকারীরা যান। সেখানে অভিযুক্ত ব‍্যব্যবসায়ীকে না পেয়ে আলিপুর অ‍্যাভিনিউয়ের একটি বাড়িতে গিয়েছেন তাঁরা।

সিবিআই সূত্রের খবর, কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও যোগ রয়েছে এই সংস্থার। যে বহুতলে এই অফিস, সেটাও কানোরিয়ার কোম্পানি শ্রেয়ী ফাউন্ডেশনের নামে একটি সংস্থার। এ দিন একই সঙ্গে তপসিয়াতেও সংস্থার একটি অফিসে তল্লাশিতে যায় সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা তল্লাশি অভিযানে গিয়েছেন।

এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলার তদন্তে সকাল থেকেই বেশ কয়েক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। এ দিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে ৩২Q, নিউরোডে সুনীল কানোরিয়ার অফিসে তল্লাশিতে যায় সিবিআই এর একটি দল। সেখানকার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে গোয়েন্দারা জানতে পারেন সুনীল কানোরিয়া বর্তমানে ওখানে থাকেন না। কিছু ক্ষণ সিবিআই আধিকারিকেরা ৭ নম্বর আলিপুর অ্যাভিনিউতে সুনীল কানোরিয়ার অন্য একটি অফিসে যায়। সিবিআই সূত্রের খবর, ভুয়ো স্কিম দেখিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে ১ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। সেই সূত্রেই শ্রেয়ী ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া এবং হেমন্ত কানুরিয়ার বিভিন্ন অফিস এবং বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

প্রতারণার এই মামলায় আগে সিবিআইয়ের পাশাপাশি অন্য কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিও তদন্ত করেছে। তদন্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-ও। আদালতে মামলাও চলেছে। পরে হাই কোর্ট ওই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রায় ছ’বছর ধরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে দফায় দফায় কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে নয়ছয় করা হয়েছে। প্রথমে ৭৩০ কোটি এবং পরে ২৬০ কোটি টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। মামলায় নাম জড়িয়েছে দুই ব্যবসায়ী, দুই সংস্থা এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক সরকারি কর্মচারীর। আইপিসি ১২০(বি) ধারার পাশাপাশি দুর্নীতি দমন আইনেও মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলাতেই এ বার অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বাড়ি হানা দিল সিবিআই।


Share