Golpark Turmoil

এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত গোলপার্ক, এলাকায় গুলি-বোমাবাজি, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকায় তাঁরা টহল দিচ্ছেন। পুলিশের একটি গাড়ির কাচ ভাঙা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নতুন করে আর যাতে অশান্তি না সৃষ্টি হয় তার জন‍্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে বলে লালবাজারের একটি সূত্র জানিয়েছে।

তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৬

এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র গোলপার্ক। এলাকায় কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ব্যাপক বোমাবাজি হয়েছে বলেও স্থানীয়েরা দাবি করেছেন। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে যায়। তাঁকে ঘিরে ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। ঘটনায় এক যুবককে জখম হয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৮টা নাগাদ রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার কাঁকুলিয়া রোডের পঞ্চাননতলায় ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বাইরে থেকে ১০০ জন দুষ্কৃতী এলাকায় ঢুকে একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। রাস্তায় থাকা মোটরবাইকের ভাঙচুর চালানো হয়ছে। এমনকী, কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাস্তায় গুলির খোল পড়ে রয়েছে। একই সঙ্গে এলাকায় ব‍্যাপক বোমাবাজি হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বোমের দাগও রয়েছে। ঘটনায় এক যুবক জখম হয়েছে। তাঁর হাতে আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্ব‍ানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে ধরে স্থানীয়েরা বিক্ষোভ দেখান। তৃণমূল কাউন্সিলরের কথায়, তিনি এলাকার লোকেদের নামে নামে চেনেন। তিনি সেখানে অশান্তি করতে আসেননি। শান্তি বজায় রাখতে তিনি এসেছেন। তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর বলেন, “পিকনিক নিয়ে গোলমাল হয়েছে। এর আগেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এ বারও যেই অপরাধ করে থাকুক না কেন, তার বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।”

কী কারণে গোলমাল তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বাইরে থেকে লোকজন দুষ্কৃতীরা এসে এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। বোমাবাজি করা হয়ে। কাচের বোতল ছোড়া হয়ে। বড় বড় ইটপাটকেল ছোড়া হয়েছে। কয়েক জন জখম হয়েছে।” ওই ব‍্যক্তির আরও অভিযোগ, গণেশ পুজোর সময়ও একই ঘটনা ঘটেছিল। তখনও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। এর নেপথ্যে পুলিশের মদত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয়েরা নিরাপত্তার দাবি করেছেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকায় তাঁরা টহল দিচ্ছেন। পুলিশের একটি গাড়ির কাচ ভাঙা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নতুন করে আর যাতে অশান্তি না সৃষ্টি হয় তার জন‍্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে বলে লালবাজারের একটি সূত্র জানিয়েছে। এখনও কাউকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি।


Share