NCPI

২০ সাংসদ ‘এনসিপিআই’, নামের পাশে এখনও তৃণমূল! স্পিকারের দ্বারস্থ অভিষেক, এ বার আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

বৈঠকের পর তিনি বলেন, ‘‘২০ জন মুখে বলছেন তাঁরা এনসিপিআই। অন্য দিকে, সংসদে তাঁরা যখন বক্তৃতা করছেন তখন তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকছে এআইটিসি (অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস)। এটা হতে পারে না।’’

ওম বিড়লা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ ১১:২৭

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ২০ জন সাংসদ অখ্যাত দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্‌স পার্টি (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন। তবে তাঁদের দলবদলকে এখনও স্বীকৃতি দেননি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। গত জুলাই মাসেই ওই ২০ সাংসদের সাংসদপদ খারিজের দাবি জানিয়ে স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের একাধিক নেতা। বুধবার ফের স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক। বৈঠকের পর তিনি বলেন, ‘‘২০ জন মুখে বলছেন তাঁরা এনসিপিআই। অন্য দিকে, সংসদে তাঁরা যখন বক্তৃতা করছেন তখন তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকছে এআইটিসি (অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস)। এটা হতে পারে না।’’

সংসদ চত্বরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, ‘‘আমাদের আসন যে পরিবর্তন করা হয়েছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এখন আমাদের আসন সেই সমস্ত এনসিপিআই সাংসদের পাশে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা বিজেপির দিকে চলে গিয়েছেন, অথচ তাঁদের এখনও কোনও সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।’’

সংসদের দশম তফসিল কার্যকর করে ওই ২০ জনের সাংসদপদ খারিজের দাবিতে ফের সরব হন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে স্পিকারের কাছে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন সৌগত রায়, কীর্তি আজাদ এবং প্রতিমা মণ্ডল। অভিষেক বলেন, ‘‘স্পিকার যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাংসদপদ খারিজের আবেদনগুলির নিষ্পত্তি করেন, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। আইন এবং প্রযোজ্য বিচারবিভাগীয় নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি স্পিকার এই আবেদনগুলির বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেন, তা হলে আমি বাধ্য হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হব এবং আদালতের হস্তক্ষেপ চাইব।’’

আদালতে অভিষেকের এই যাওয়ার হুঁশিয়ারিকে খুব একটা আমল দিতে চাননি এনসিপিআই-তে নাম লেখানো বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেন, ‘‘লোকসভার বিষয়ে স্পিকারই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী। অন্য কেউ তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। যিনি এ সব বলছেন, তাঁর সংসদীয় রাজনীতি সম্পর্কে জ্ঞান সীমিত।’’


Share