Middle East Conflict

রিয়াধের আমেরিকার দূতাবাসে ড্রোন দিয়ে হামলা, নেপথ‍্যে ইরান, অনুমান আমেরিকার, হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

এই হামলার ঘটনার পরে খবর ছড়ায়, ইরাকের এরবিলে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট‍্যান্ট একটি হোটেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ওই আমেরিকার সেনা জওয়ানেরা ছিল বলে জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

আমেরিকার দূতাবাসে ড্রোন হামলা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১১:১১

কুয়েতের পরে সৌদি আরব। সোমবার রাতে রিয়াধের আমেরিকার দূতাবাসে ড্রোন দিয়ে হামলা চলে। বিস্ফোরণের পরে দূতাবাসে আগুন ধরে যায়। কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আমেরিকার সন্দেহ, ইরান এই ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

রিয়াধের দূতাবাসে হামলার ঘটনায় হতাহতের খবর নেই। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দূতাবাসের ওপরে দু’টি সশস্ত্র ড্রোন আছড়ে পড়েছে। সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দূতাবাসের অল্প কিছু অংশে আগুন লেগে যায়। বেশ কিছু জিনিসপত্রের ক্ষতি হয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। কালো ধোঁয়ায় এলাকা ঢেকে গিয়েছে।

এই হামলার ঘটনার পরে খবর ছড়ায়, ইরাকের এরবিলে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট‍্যান্ট একটি হোটেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ওই আমেরিকার সেনা জওয়ানেরা ছিল বলে জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

দু’টি ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রত‍্যাঘাত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “এর জবাব কীভাবে দিতে হয়, তা এ বার তারা দেখবে।” এর পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে থেকে আমেরিকা তাঁদের নাগরিকদের ফিরে আসতে পরামর্শ দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ অভিযানে ইরানের স্বৈরশাসক আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হওয়ার পর থেকে একাধিক সুন্নি মুসলমান সম্প্রদায় সংখ‍্যাগরিষ্ঠ দেশে শিয়া মুসলমান সম্প্রদায় সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ইরান হামলা চালিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। গত শনিবার আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের সংঘর্ষের সময়ে ‘তৃতীয় পক্ষ’ হিসাবে প্রথম হামলা হয়েছিল সৌদিতেই।


Share