Assembly Election

গণনাকেন্দ্রে কেন কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের নিয়োগ, গণনার আগেই কলকাতা হাই কোর্ট দায়ের হল জোড়া মামলা

স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গে রেকর্ড ভোটদান হয়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। শান্তিতে ভোট করিয়ে সর্বত্র প্রশংসিত নির্বাচন কমিশন। অশান্তি দেখলেই লাঠিচার্জ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এ বার গণনা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০১:০৯

আগামী ৪ মে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা। তার আগেই কলকাতা হাই কোর্টে জোড়া মামলা দায়ের হল। গণনাকেন্দ্রে কেন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের নিয়োগ করা হচ্ছে তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আরেকটি মামলা করেছেন আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য। বিশ্বরূপের দাবি, বারবার একাধিক গণনাকেন্দ্রের স্থান বদল করা হচ্ছে।

গণনা কেন্দ্রগুলিতে যে সুপারভাইজার নিযুক্ত করা হবে, তার জন্য বুধবার নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, যে যাঁরা শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী, তাঁদেরই এই কাজে নিয়োগ করা হবে। গণনা কেন্দ্রগুলিতে সুপারভাইজার হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরাই দায়িত্ব পালন করবেন।

আইনজীবী তথা শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, যে আইনের বলে গণনাকেন্দ্রে সুপারভাইজার পদে নিযুক্ত হবে, তাঁদের সরকারি কর্মচারী হতে হবে। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে হবে তা কোথাও লেখা নেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কেন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রাধান্য দিলেন। এই প্রশ্ন তুলে কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মামলা দায়ের করেছেন। 

অন‍্য দিকে, দ্বিতীয় মামলাটি করেছেন আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, যে ভাবে শেষ মুহূর্তে গণনাকেন্দ্র বদলে ফেলা হচ্ছে, তা কোনও ভাবেই আইন মেনে করা হয়নি। তাই এই ঘটনায় আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন। হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টোর সময়ে এই মামলার শুনানি হবে। 

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গে রেকর্ড ভোটদান হয়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। শান্তিতে ভোট করিয়ে সর্বত্র প্রশংসিত নির্বাচন কমিশন। অশান্তি দেখলেই লাঠিচার্জ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।  রাজ্যের সমস্ত বুথেই ভোট দিতে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছিল। দ্বিতীয় দফায় ভোটদান প্রায় ৯৩ শতাংশ। বিপুল ভোটদানে কার লাভ, কার ক্ষতি, পরিবর্তন হবে না কি প্রত‍্যাবর্তণ, তা আগামী ৪ মে স্পষ্ট হয়ে যাবে।


Share