Suvendu Adhikari

দিঘার উন্নয়নে মেগা ব্লুপ্রিন্ট, কর প্রত্যাহার থেকে সমুদ্র বন্দর, জগন্নাথ কালচারাল সেন্টার নিয়েও স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর

রবিবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসনিক বৈঠকে দিঘাকে ঢেলে সাজানোর একাধিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয়।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিঘা
  • শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ১১:০০

দিঘা জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। তবে এই দিঘায় ঘুরতে এলে পর্যটকদের কাছ থেকে ১০ টাকার ট্যাক্স নেওয়া হত। কিন্তু ১ জুলাই থেকে আর সেই ট্যাক্স হবে না, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসনিক বৈঠকে দিঘাকে ঢেলে সাজানোর একাধিক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয়।

দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেচমন্ত্রী অরূপকুমার দাস, কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, রামনগরের বিধায়ক চন্দ্রশেখর মণ্ডল, জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা-সহ বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, বিগত দু'বছরে পর্যটন কেন্দ্র দিঘায় উন্নয়ন হয়নি। রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ পর্যটকদের নিরাপত্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেন, 'অন্তত ১০০ শয্যার হাসপাতাল হবে। যেখানে পাঁচটা আইসিইউ, পাঁচটা এইচডিইউ এবং শিশুদের জন্য পাঁচটা এসএনসিইউ বেড থাকবে।' তিনি জানান, মাত্র পাঁচ জন এসআই, এএসআই এবং ১৫ জন কনস্টেবল নিয়ে দিঘা থানা চলছে, নুলিয়াও পর্যাপ্ত নেই।

দিঘার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার অর্থনৈতিক ও পর্যটনের হাল বদলে ফেলার কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'দিঘা থেকে পেটুয়া পর্যন্ত উপকূল এলাকাকে যুক্ত করে মেরিন ড্রাইভ সম্প্রসারিত হবে।' দাদনপাত্রবাড়ে সমুদ্র বন্দর তৈরি প্রসঙ্গে বলেন, 'এখানে সমুদ্রের নাব্যতা খুব ভালো। এই বন্দর পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চরিত্র বদলে দেবে।' পাশাপাশি ওই সমুদ্র বন্দর ও পর্যটনের বিকাশে রেল যোগাযোগের আধুনিকীকরণ অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, ওড়িশা ও রাজ্যের পর্যটন বিকাশে দিঘা-জলেশ্বর রেল সংযোগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দিঘা-নন্দকুমার রেল লাইন সম্প্রসারণের ঘোষণাও করেন তিনি।

দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে সিপিএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী কিছু তথ্য সংশোধন করে দিয়ে তিনি বলেন, 'এই কেন্দ্রের অফিশিয়াল নাম 'শ্রী জগন্নাথ কালচারাল সেন্টার'। সরকারি খাতা বা টেন্ডারে কোথাও 'ধাম' শব্দ নেই। যেখানে জগন্নাথের পুজো হয় তা মন্দির হিসেবে থাকবে। জগন্নাথদেবের নিত্যপূজা, ভোগ, আরতি ও কীর্তন-ভজনের ব্যবস্থা থাকবে।'


Share