Mob Lynching

কয়েক বছর আগের খুনের যোগ? সোনারপুরে গণপিটুনিতে মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

কয়েক বছর আগে ওই বাড়ির মালিকের ছেলেকে খুনের ঘটনায় গোপালের যোগ ছিল বলে দাবি পরিবারের।

তদন্তে বারুইপুর থানার পুলিশ
নিজস্ব সংবাদদাতা, সোনারপুর
  • শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ০২:০৭

ফের গণপিটুনিতে মৃত্যুর অভিযোগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনারপুর থানার রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কামরাবাদ ফুলের হাটের আম্বেদকরনগরে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতের নাম গোপাল হালদার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে গোপাল-সহ তিনজন একটি বাড়িতে হামলা চালায়। তাঁদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও দাবি। আচমকা হামলার ঘটনায় বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করেন। সেই শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে আসেন।

স্থানীয়দের আসতে দেখে গোপালের সঙ্গে থাকা দু’জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা গোপালকে ধরে ফেলেন। এরপর তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে তাঁকে সুভাষগ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

বাড়ির মালিকের দাবি, কয়েক বছর আগে তাঁর ছেলে লাল্টু হাজরাকে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় গোপাল হালদারের যোগ ছিল বলেও দাবি তাঁর। ওই ঘটনায় গোপালকে সোনারপুর থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল বলে জানা গিয়েছে। পুরনো সেই খুনের ঘটনার জেরেই বৃহস্পতিবারের হামলা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ঘটনার খবর পেয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী এলাকায় পৌঁছোয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তবে কেন ওই বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যে পুরনো শত্রুতা রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


Share