CPIM Stage Vandalised

বিরাটিতে সিপিএমের সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ছোঁড়াছুড়িতে জখম দলীয় নেতা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ

বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদারের বলেন, “বিজেপির লোকজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলাটা সোজা। সব কিছুতে বিজেপিকে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। চারটে লোক নিয়ে ওখানে মিটিং হচ্ছিল। এলাকার লোক সিপিএম-কে প্রত্যাখ্যান করেছে। উত্তর দমদমে সিপিএমের নাম কেউ শুনতে চান না।”

বিরাটিতে সিপিএমের সভায় ভাঙচুর।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বিরাটি
  • শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫৯

বিরাটিতে সিপিএমের সভায় ভাঙচুর। অভিযোগ, পুলিশের সামনেই মঞ্চে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। চেয়ার ছোঁড়াছু্ঁড়িতে স্থানীয় সিপিএম নেতা শিবশঙ্কর ঘোষ জখম হয়েছেন। সিপিএমের দাবি, তাঁদের কাছে পুলিশের অনুমতি ছিল। তার পরেও বিজেপির কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। যদিও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে একটি পথসভার আয়োজন করেছিল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন। সকাল থেকেই প্রস্তুতি চলছিল। মঞ্চ বাঁধা, লাইট লাগানোর কাজে সকাল থেকেই বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সন্ধ্যায় সভা শুরুর আগে পরিস্থিতি চরমে ওঠে। অভিযোগ, মঞ্চ বাঁধার লোকজনকে হুমকি দেওয়া হয়। তাঁদের এ-ও অভিযোগ, বিজেপির কর্মীরা ভবিষ্যতে কোনও কাজ তাঁদের দেবে না বলেও হুমকি দেয়। ফলে ভয় তাঁরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

সিপিএম কর্মীদের অভিযোগ, বিকেল থেকেই সভা করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু বাধা উপেক্ষা করেই প্রস্তুতি চলতে থাকে। এক দল স্থানীয়ের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। তার পরেই রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সভামঞ্চে উঠে সিপিএমের ফ্লেক্স ছিঁড়ে দেওয়া হয়। মঞ্চে এবং নীচে থাকা চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। চেয়ার ছোঁড়াছু্ঁড়িতে শিবশঙ্কর ঘোষ নামে স্থানীয় এক সিপিএম নেতা মাথা ফেটে গিয়েছেন। এক কমিউনিস্ট ছাত্রনেতার কথায়, তাঁদের সভা করার জন‍্য পুলিশের অনুমতি ছিল। তার পরেও পুলিশের সামনেই এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল বলেও ওই কমিউনিস্ট ছাত্রনেতা অভিযোগ করেছেন।

যদিও এসএফআইয়ের যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদারের বলেন, “বিজেপির লোকজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলাটা সোজা। সব কিছুতে বিজেপিকে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। চারটে লোক নিয়ে ওখানে মিটিং হচ্ছিল। এলাকার লোক সিপিএম-কে প্রত্যাখ্যান করেছে। উত্তর দমদমে সিপিএমের নাম কেউ শুনতে চান না। সাধারণ মানুষ গিয়ে ওখানে সভা করতে বারণ করেছে। সাধারণ মানুষের ওপর ওরা চড়াও হয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। উত্তর দমদমের মানুষ দেশবিরোধী কথাবার্তা শুনতে চান না। তাই প্রতিবাদ করেছে।”

ভাঙচুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিজেপির বক্তব্য, সভার জন্য যথাযথ অনুমতি থাকলে সিপিএম পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করতে পারে। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখবে।


Share