Dead Body Missing

কবর থেকে মৃতদেহ উধাও! হতবাক মৃতার বাবা ও মা, চাকদহ থানায় অভিযোগ দায়ের

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রাত ১১টা নাগাদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে সৃজনী দে মারা যান। পিতা শ‍্যামল দে সোনার দোকানে কাজ করেন। তাঁদের বাড়ি চাঁদুড়িয়া এক নম্বর জিপির মনসাপোতা গ্রামে।

ভেঙে পড়ে আছে সৃজনী দে-র সমাধি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চাকদহ
  • শেষ আপডেট: ০৩ মে ২০২৬ ০৮:৪২

মেয়ের সমাধিতে ফুল দিতে গিয়ে হতবাক বাবা। সমাধিস্থল ভেঙে তিন বছরের মেয়ের মৃতদেহ কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে বলে দাবি। নদিয়ার চকদহতে ঘটনাটি ঘটেছে। ইতিমধ্যেই চকদহ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, গত ৪ এপ্রিল চাকদাহ রানিনগর ঘাটে সমাধিস্থলে রবিবার তিন বছরের শিশু কন্যার সমাধিস্থলে ফুল দিতে যান পিতা শ্যামল দে। সমাধিস্থলে পৌঁছে তিনি দেখতে পান, সমাধিটি ভেঙে পড়ে রয়েছে। তার মধ্যে থাকা মেয়ের মৃতদেহটিও উধাও হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার পর শ্যামল চাকদহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ, বিগত এক মাস হয়ে গেলেও এখনও কোনও সুরাহা হয়নি। 

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রাত ১১টা নাগাদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে সৃজনী দে মারা যান। পিতা শ‍্যামল দে সোনার দোকানে কাজ করেন। তাঁদের বাড়ি চাঁদুড়িয়া এক নম্বর জিপির মনসাপোতা গ্রামে। তিন বছরের কন্যা সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন শ্যামলবাবু ও তাঁর স্ত্রী। 

এরপর তিনি ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে চাকদহ রানিনগর শ্মশান ঘাটে পাকা পোক্ত সমাধি করে দিয়েছিলেন। মাঝেমধ্যে সেখানে গিয়ে ফুল ও ক্যাডবেরি দিয়ে আসতেন। গত ৪ এপ্রিল সেখানে গিয়ে দেখেন সমাধি ফাঁকা। এমনকি যে তোয়ালেতে জড়িয়ে মেয়েকে সমাধি দিয়েছেন সেই তোয়ালেটি রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছে। এরপর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শ্যামল দে। দম্পতির অভিযোগ, এখনও চাকদহ থানা কোনও সুরাহা করতে পারেনি।

শ্যামল বাবু বলেন, “ সমস্ত নিয়ম মেনে মেয়েকে সমাধিস্থ করেছিলাম। এখন যদি মেয়ের মৃতদেহ উধাও হয়ে তবে তার দায় কার? শ্মশানের যে ডোম দায়িত্ব আছেন তিনিও কোন কিছু বলতে পারছেন না। আমার মেয়ের পাশের কবর থেকেও মৃতদেহ উধাও হয়ে গেছে।”


Share