West Bengal Budget 2026

কালীঘাট থেকে তারাপীঠ, জল্পেশ থেকে কিরিটেশ্বরী মন্দির সংরক্ষণে হেরিটেজ কমিশন, ধর্মীয় পর্যটনে ১০০০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানান, রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং প্রচারের জন্য একটি বিশেষ ‘হেরিটেজ কমিশন’ গঠন করা হবে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ০৭:১৯

পশ্চিমবঙ্গের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ এবং ধর্মীয় পর্যটনের প্রসারে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা করল বিজেপি সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এই খাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

বাজেট বক্তৃতায় তিনি জানান, রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং প্রচারের জন্য একটি বিশেষ ‘হেরিটেজ কমিশন’ গঠন করা হবে। কালীঘাট, তারাপীঠ, মদন মোহন মন্দির, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ, কল্যাণেশ্বরী এবং কিরিটেশ্বরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্রগুলির উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থাকবে এই কমিশনের উপর।

ধর্মীয় পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ‘বেঙ্গল শক্তিপীঠ সার্কিট’ গঠনের ঘোষণাও করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একাধিক শক্তিপীঠ ও ধর্মীয় স্থানকে একটি পর্যটন রুটের আওতায় এনে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পর্যটন পরিষেবা গড়ে তোলা হবে। ভ্রামরীদেবী, নন্দীকেশ্বরী, ফুল্লরা ও কঙ্কালীতলার মতো মন্দিরগুলিকে এই সার্কিটে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়াও, বৈষ্ণব ধর্মের অন্যতম প্রধান তীর্থস্থানগুলিকে কেন্দ্র করে ‘চৈতন্য মহাপ্রভু তীর্থযাত্রা সার্কিট’ তৈরির কথাও ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। একটি প্রধান জেলা শহরকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় স্থানগুলিকে সংযুক্ত করে বিশেষ পর্যটন কর্মসূচি গড়ে তোলা হবে।

এই সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী তিন বছরে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের মতে, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করে রাজ্যের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।


Share