Bridge Collapse

আসানসোলে সেতু ঢালাই করার সময় বিপত্তি, হুড়মুড়িয়ে ভাঙল লোহার কাঠামো, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ, গত বছর উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী

আসানসোলের ধেমোমেন, গোপালপুর, সাতাশা কুলটির সীতারামপুর বিদায়গড়–সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিদায়গড়ের এই সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। যদিও ভেঙে পড়ার সময় সেখানে কোনও শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনায় হতাহতের খবর মেলেনি।

বিদায়গড়ে ভেঙে পড়া সেতু।
নিজস্ব সংবাদদাতা, আসানসোল
  • শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১২:২৬

আসানসোলে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ সেতু। সেই সেতুতে ঢালাই করার কথা ছিল। সেই সেই কাজ করার সময় বিপত্তি ঘটে। শনিবার সকালে সকালে বিদায়গড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেখানে জোরদার চলছে কাজ চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছিল। তাই এই পরিণতি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়।

আসানসোল পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়গড় এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। নুনিয়া নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন‍্য স্থানীয়েরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবিকে মান‍্যতা দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত বছর ভার্চুয়ালি সেতুর উদ্বোধন করেছিলেন। তার পরে কাজ শুরু হয়। মাঝে থমকে গেলেও বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই কাজ গতি পেয়েছে। সেই মতো লোহার কাঠামো তৈরি করে বসানো হয়। শনিবার সেটাই ভেঙে পড়ে।

আসানসোলের ধেমোমেন, গোপালপুর, সাতাশা কুলটির সীতারামপুর বিদায়গড়–সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিদায়গড়ের এই সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। যদিও ভেঙে পড়ার সময় সেখানে কোনও শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনায় হতাহতের খবর মেলেনি।

স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ওনেক মানুষ এবং যানবাহন চলাচল করে। ফলে উপযুক্ত গুণমানের সামগ্রী ব্যবহার না করলে মানুষের বিপদ বাড়বে। বিষটি নিয়ে পুরসভার নজরদারি বাড়ানোর দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, এই সেতু নির্মাণের জন‍্য দু’কোটি টাকা খরচ হবে। সেতু ভেঙে পড়া নিয়ে পুরসভা মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, “কেন এমনটা হল, তা নিয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হবে।” অন‍্য দিকে বিজেপির অভিযোগ, “ঠিকাদার তোলা টাকা দেবে না কাজ করবে। অর্ধেক টাকা তৃণমূলের নেতাদের পকেটে চলে যায়। তাই যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এ সব আর হবে না।”


Share