Body Recovery

বীরভূমের সাঁইথিয়ায় নাবালিকা পরিচারিকার দেহ উদ্ধার, অভিযুক্ত মালিক-ছেলের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ

পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির মালিক ও তাঁর ছেলে মিলে তাকে খুন করে দেহ একটি গোডাউনে লুকিয়ে রেখেছিলেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া
  • শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ ০৫:১৯

বীরভূমের সাঁইথিয়ায় এক নাবালিকা গৃহপরিচারিকার মৃত্যু। পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির মালিক এবং তাঁর ছেলে মিলে ওই নাবালিকাকে খুন করেছেন। ঘটনার পর দেহ একটি গোডাউনে লুকিয়ে রাখারও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা থানার সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

জানা গিয়েছে, সাঁইথিয়ার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পঙ্কজ পারেখের বাড়িতে প্রায় দু’ বছর ধরে সে কাজ করত। বীরভূমের দেরিয়াপুর অঞ্চলের কাঞ্চননগর বাগডোলা এলাকার বাসিন্দা সে। গ্রামেরই এক মহিলার মাধ্যমে কাজের সূত্রে পঙ্কজ পারেখের বাড়িতে আসে। সে সেখানেই থাকত।

পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় তিনটে নাগাদ ওই বাড়িতে কর্মরত লিপী বাউরি ফোন করে জানান, নাবালিকা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে সাঁইথিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে পরিবারকে জানানো হয়, তাকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা রামপুরহাট যাওয়ার জন্য একটি টোটো ভাড়া করেন। কিন্তু অভিযোগ, টোটোটি মদনপুর এলাকার জৈন মার্বেল নামে একটি দোকানের গোডাউনের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। সেখান থেকেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। এরপরই নাবালিকার পরিবার পঙ্কজ পারেখ এবং তাঁর ছেলে শ্রেয়াস পারেখের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে।

 অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধ করেন। পরে অবরোধ উঠে গেলেও সাঁইথিয়া থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান উত্তেজিত জনতা। তাঁরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবিও তোলেন। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


Share