Abhishek Banarjee

সই জালিয়াতি মামলার মাঝেই নতুন বিপদ! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সশরীরে হাজিরার সমন খোয়াই আদালতের

অভিযোগ, দলের যুব নেতৃত্বের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ত্রিপুরা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ত্রিপুরা
  • শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১২:৩৭

ফের আইনি চাপ বাড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় সিআইডির একাধিক তলবের মধ্যে এ বার ত্রিপুরার খোয়াই আদালত থেকে তাঁর নামে সশরীরে হাজিরার সমন জারি করা হয়েছে। আগামী ২২ জুন তাঁকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, ২০২১ সালে ত্রিপুরা সফরের সময় খোয়াইয়ে তৃণমূল কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, দলের যুব নেতৃত্বের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ত্রিপুরা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে। দীর্ঘদিন পর সেই মামলায় নতুন করে আদালতের তৎপরতা দেখা গেল।

জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশে সমন পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। সাধারণ ডাকযোগে নয়, আলিপুর আদালতের মাধ্যমে একজন বেলিফ নিয়োগ করে সমন পাঠানো হয়। নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ওই সমন কার্যকর করার ব্যবস্থা করা হয়।

বুধবার বিকেলে বেলিফ কালীঘাট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে পৌঁছোন, যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারি ঠিকানা হিসেবেও পরিচিত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে সরাসরি সমন তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বিকল্প হিসেবে নোটিসটি বাড়ির দেওয়ালে সাঁটিয়ে তার নথিভুক্ত ছবি তোলারও নির্দেশ ছিল।

সেই সময় ঘটনাস্থলের কাছেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, তিনি বেলিফের সঙ্গে কথা বলে সমনটি বাড়ির কোনও কর্মীর মাধ্যমে গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। পরে বেলিফ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন এবং এক কর্মীর হাতে সমনটি তুলে দেন।

এখন নজর ২২ জুনের দিকে। নির্ধারিত দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খোয়াই আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন কি না, অথবা তাঁর আইনজীবীরা কোনও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন কি না, তা নিয়েই রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। 


Share