Landslide

কলম্বিয়ায় সোনার খনিতে ভয়াবহ ভূমিধস! মাটির নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু অন্তত ১৪ শ্রমিকের, গুরুতর জখম আরও ৭

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। আঞ্চলিক প্রশাসনের নিরাপত্তা সচিব অ্যালেক্স গঞ্জালেজ ১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

কলম্বিয়ার একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের জেরে মৃত্যু হল অন্তত ১৪ জন শ্রমিকের।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলোম্বিয়া
  • শেষ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:০০

দক্ষিণ-পশ্চিম কলম্বিয়ার একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের জেরে মৃত্যু হল অন্তত ১৪ জন শ্রমিকের। সোমবারের এই দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও সাত জন। প্রশাসন সূত্রে খবর, ইকুয়েডর সীমান্ত সংলগ্ন নারিনহো প্রদেশের ওই সোনার খনিটি বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়েছিল। খনিতে কাজ চলাকালীন আচমকাই পাহাড়ের একাংশ ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ধসে চাপা পড়েন একাধিক শ্রমিক। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। আঞ্চলিক প্রশাসনের নিরাপত্তা সচিব অ্যালেক্স গঞ্জালেজ ১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, আর্থ মুভারের সাহায্যে কাদা-মাটি সরিয়ে ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে একের পর এক দেহ উদ্ধার করছেন উদ্ধারকারীরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ছোট নৌকায় করে নদীপথে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি, আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নারিনহো প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা বেআইনি সোনার খনির জন্য পরিচিত। ওই খনিগুলির একাংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সশস্ত্র অপরাধী গোষ্ঠীর হাতে। অভিযোগ, চোরাচালান, মাদক কারবার এবং তোলাবাজির মতো অপরাধমূলক কাজকর্মও নিয়ন্ত্রণ করে এই গোষ্ঠীগুলি। ফলে দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়েও নিরাপত্তার আশঙ্কায় পড়তে হয় উদ্ধারকারী দলকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের কাছে জীবিকা নির্বাহের বিকল্প পথ না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এই ধরনের বিপজ্জনক খনিতে কাজ করতে হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়াই বেআইনি খনিতে কাজ চলায় কলম্বিয়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। ফের এই ঘটনায় অবৈধ খনন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


Share