Assembly Election

উত্তপ্ত বহরমপুর! প্রচারের সময় অধীররঞ্জন চৌধুরীর হেনস্তার অভিযোগ, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ কংগ্রেস কর্মীদের

দু'ই দলের অশান্তির জেরে ক্রমেই ওই এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। এই ঘটনার প্রতিবাদে নবগ্রামে পথ অবরোধ করে বেশ কিছু কংগ্রেস কর্মী

অধীররঞ্জন চৌধুরীকে হেনস্তার অভিযোগ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর
  • শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ০২:২৭

ভোটের আবহে উত্তপ্ত বহরমপুর। শনিবার সকালে বহরমপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটের প্রচারের সময় অশান্তির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীকে প্রচারের সময় হেনস্থা করা হয়েছে। অভিযোগের তির শাসকদলের বিরুদ্ধে। 

স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী বহরমপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটের প্রচারে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ে এলাকার বেশ কিছু তৃণমূলের কর্মীরা তাঁকে প্রচারে বাধা দেন। তাঁদের সঙ্গে অধীরের বচসা এবং ধাক্কাধাক্কি হয়। আরও অভিযোগ, ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকারের উপস্থিতিতেই বেশ কয়েক জন কংগ্রেস কর্মীকে মারধরও করা হয়েছে। 

দু'ই দলের অশান্তির জেরে ক্রমেই ওই এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একে অপরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। এই ঘটনার প্রতিবাদে নবগ্রামে পথ অবরোধ করে বেশ কিছু কংগ্রেস কর্মী। 

অধীর চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলাম। তৃণমূলের কর্মীরা ধাক্কাধাক্কি করেছেন। ওটাই ওদের স্বভাব। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলে জানি না। তবে আমাদের দলের কর্মীদের গায়ে কেউ হাত দিলে, ওরাও ছেড়ে কথা বলবে না।’

ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকার হেনস্থার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো আমরাও নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলাম। আমরা যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, সেই রাস্তা দিয়েই অধীর চৌধুরী ও তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকরা প্রচারে যাচ্ছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা আমাদের সরিয়ে দিয়ে অধীর চৌধুরীকে আগে নিয়ে যেতে চান। সেই সময়েই ধাক্কাধাক্কি হয়।’


Share