Eastern Railway

বর্ষায় জল জমলেও সিগন্যাল বিভ্রাট নয়, ব্যারাকপুরে নতুন ব্যবস্থা পূর্ব রেলের

ব্যারাকপুর স্টেশনের ৪, ২, ১এ এবং ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ডাউন শহরতলি লাইনেও এমএসডিএসি বসানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুরনো ডিসি ট্র্যাক সার্কিটও চালু থাকছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:০৯

বর্ষায় জল জমে ট্র্যাক সার্কিটে সমস্যা এবং তার জেরে সিগন্যাল বিভ্রাট—এই সমস্যা এড়াতে ব্যারাকপুর স্টেশনে নতুন প্রযুক্তি চালু করল পূর্ব রেল। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে স্টেশনে চালু হয়েছে মাল্টি সেকশন ডিজিটাল অ্যাক্সল কাউন্টার (এমএসডিএসি)। রেলের আশা, নতুন এই ব্যবস্থায় বৃষ্টির সময়ে সিগন্যাল বিভ্রাটের ঘটনা কমবে। ফলে ট্রেনকে অযথা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না এবং বজায় থাকবে শহরতলির ট্রেনের সময়ানুবর্তিতাও। ব্যারাকপুর স্টেশনের ৪, ২, ১এ এবং ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ডাউন শহরতলি লাইনেও এমএসডিএসি বসানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুরনো ডিসি ট্র্যাক সার্কিটও চালু থাকছে। অর্থাৎ, ট্রেন শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এখন ব্যারাকপুরে দু’টি পৃথক ব্যবস্থা কাজ করবে।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারী বৃষ্টিতে ব্যারাকপুরের মতো নিচু এলাকায় জল জমলে প্রচলিত ট্র্যাক সার্কিটে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে সিগন্যাল ব্যবস্থায়। কোনও ট্রেনকে দাঁড় করিয়ে রাখতে হলে পিছনের ট্রেনগুলির গতিও কমাতে হয়। ব্যস্ত শহরতলি লাইনে যার প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এমএসডিএসি ব্যবস্থায় ট্রেনের চাকা নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে যাওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে ট্রেনটি লাইনের কোন অংশে রয়েছে, তা শনাক্ত করা হয়। ফলে জল জমে প্রচলিত ট্র্যাক সার্কিটে সমস্যা হলেও ট্রেন শনাক্ত করার বিকল্প ব্যবস্থা থাকবে। পূর্ব রেলের বক্তব্য, এর ফলে বর্ষাকালে সিগন্যাল ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে এবং ট্রেন চলাচল আরও মসৃণ হবে। জেনারেল ম্যানেজার গীতিকা পাণ্ডের নেতৃত্বে সিগন্যাল ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের কাজ চলছে। শিয়ালদহ ডিভিশনের এই প্রকল্পটি ডিআরএম রাজীব সাক্সেনার তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হয়েছে। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, বর্ষায় জল জমে সিগন্যাল ব্যবস্থায় যে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা কমাতেই ব্যারাকপুরে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।


Share