Shoot Out

দোকান বন্ধ করে ফেরার পথে স্বর্ণব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! মাথায় রডের আঘাত করে সোনা-রুপোর গয়না লুট

দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে স্বর্ণব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন ওই ব্যবসায়ী।

ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোল উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মাথাভাঙ্গা
  • শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ০৪:৪২

দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন স্বর্ণব্যবসায়ী। তখনই বিপত্তি। পথেই তিনি দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়েন। মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাতের পাশাপাশি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কোনও রকমে তিনি বাড়ি পৌঁছোন। তারপর শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। কোচবিহারের মাথাভাঙায় এই ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।

মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের পানিগ্রাম এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা প্রকাশ সরকার মঙ্গলবার রাতে নিজের সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে তাঁর পথ আটকায়। এরপর তাঁকে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পাশাপাশি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলেও অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, প্রকাশের পেটে গুলি লেগেছে। হামলার পর তাঁর কাছ থেকে সোনা ও রুপোর গয়না ছিনিয়ে নিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকার পর কোনও রকমে তিনি বাড়িতে পৌঁছোন। পরিবারের সদস্যদের গোটা ঘটনা জানান। এরপর তাঁকে দ্রুত মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করেন। বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রকাশের বাবা সুভাষ সরকার জানান, দোকান থেকে সোনা ও রুপোর সামগ্রী নিয়ে তাঁর ছেলে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় বাইকে করে কয়েক জন এসে পথ আটকায়। মারধরের পাশাপাশি জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও তাঁর দাবি। তবে কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত, সে বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে তিনি জানিয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে মাথাভাঙা থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছোয়। মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মানবেন্দ্র দাসও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। সেখান থেকে একটি গুলির খোল উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছিল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।


Share