New Market Fire

মৃতদের মধ্যে সাত জনই বাংলাদেশি! হাসপাতালে এসে বললেন হাই কমিশনার, দু’জনকে শনাক্ত করার হচ্ছে, অনির্দিষ্টকালের জন‍্য হোটেল বন্ধের নির্দেশ পুরসভার

ঘটনার পর মেডিকেল কলেজে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার খালেদ। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের তদন্তভার গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি কমিশনারকে দিয়েছে লালবাজার এবং হোটেলটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

হোটেলটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৫৩

মির্জা গালিফ স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ন’জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সাত জনই বাংলাদেশের নাগরিক বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার পরে মেডিকেল কলেজে যান বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার খালেদ। কলকাতা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ওই হোটেলটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের হাই কমিশন জানিয়েছে, এ দিন ভোরে কলকাতার মির্জা গালিফ স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইন-এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনায় কয়েক জন বাংলাদেশি নাগরিকের প্রাণহানি ঘটেছে। কয়েক জন বাংলাদেশি জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের কর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করেছে। আহতদের পর্যাপ্ত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

নিহতদের এর মধ্যে পাঁচ জনের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এই পাঁচ জনের মধ্যে চারজন কুষ্টিয়া বাসিন্দা। তাঁরা একই পরিবারের সদস্য। একজন ঢাকার আমিনবাজারের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে তাঁরা। বাকিদের পরিচয় স্থানীয় পুলিশ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি। 

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরে ডেপুটি হাইকমিশনের কার্যালয় থেকে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জখম ছ’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ডেপুটি হাইকমিশনের কর্তারা হাসপাতাল এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে উপহাইকমিশন একটি ২৪ ঘন্টা হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। যার মাধ্যমে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এবং উক্ত ঘটনায় আহত ও ক্ষতিগ্রস্তেরা ২৪ ঘণ্টা জরুরি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন।

ঘটনার পরে মেডিকেল কলেজে যান বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার খালেদ। তিনি বলেন, “পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রাখা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।”

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তভার গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি কমিশনারকে দিয়েছে লালবাজার। অন‍্য দিকে, কলকাতা পুরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হোটেলটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার নির্দেশ পুরসভার। নজরদারির খামতি ছিল বলে স্বীকার করেছেন পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। বোরো ভিত্তিক তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।


Share