New Market Fire

অকেজো অগ্নিনির্বাপণ ব‍্যবস্থা, কেন হোটেল বন্ধ করা হবে না, শহরের ন’টি হোটেলগুলির কাছ থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে জবাব চাইল দমকল

দমকল সূত্রের খবর, মোট ন’টি গেস্ট হাউস এবং চারটি রেস্তরাঁকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগ, এই সমস্ত রেস্তরাঁ এবং গেস্ট হাউসে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেও তা কার্যত অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৬ ১২:১০

নিউ মার্কেট কান্ডের পরে শহরের বেশ কয়েকটি গেস্ট হাউস এবং রেস্তোরাঁকে শোকজ করল দমকল। অভিযোগ, এই সমস্ত গেস্ট হাউস বা রেস্তোরাঁয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেও তা অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে জবাব তলব করেছে দমকল বিভাগ।

দমকল সূত্রের খবর, মোট ন’টি গেস্ট হাউস এবং চারটি রেস্তরাঁকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগ, এই সমস্ত রেস্তরাঁ এবং গেস্ট হাউসে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেও তা কার্যত অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। এই সমস্ত গেস্ট হাউস এবং রেস্তোরাঁগুলিকে অগ্নিনির্বাপণ ব‍্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে এবং বিধিগুলি মেনে চলার জন‍্য এর আগেও নোটিশ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন দমকলের ডিজি অনুজ শর্মা। এর আগে কবে নোটিশ করা হয়েছিল, তা নিয়ে দমকলের ওই সূত্র স্পষ্ট করেনি।

নোটিশে বলা হয়েছে, এই ন’টি গেস্ট হাউস এবং চারটি রেস্তরাঁয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে। কেন এই গেস্ট হাউস এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এই গেস্ট হাউস এবং রেস্তোরাঁগুলি নিউ মার্কেটের মির্জা গালিফ স্ট্রিটেই অবস্থিত। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। না দিলে কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণ সংক্রান্ত

নিউ মার্কেট কান্ডের পরে ক্ষতিগ্রস্ত হোটেলটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। ১৬টি বরোতে পৃথক ভাবে তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এই তদন্ত কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন পুরপ্রশাসক স্মিতা পান্ডে।

এ ছাড়াও, আগামী ২৫ আগস্ট শহরের ১৬টি বরোতে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হওয়া আবাসন, মার্কেট, হোটেল-সহ যেখানে মানুষের জমায়েত হয় সেই সমস্ত জায়গার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুরক্ষা বিধি খতিয়ে দেখবেন বলেও স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন। এই কমিটির সঙ্গে পুরসভার লাইসেন্স বিভাগকে যুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন, এই যৌথ কমিটিতে কেএমডিএ, কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিশ, দমকল, সিইএসসি-সহ সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন। এ ক্ষেত্রে যে নজরদারির খামতি ছিল তা মেনে নিয়েছেন পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে। নজরদারির কোথায় ত্রুটি ছিল সেটা খতিয়ে দেখার জন্যই বিল্ডিং বিভাগের কাছ থেকে যাবতীয় রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। লাইসেন্স এবং বিল্ডিং বিভাগে কোথায় কোথায় গাফিলতি ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share