Accident

ওড়িশায় বাসের টায়ারের আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ওড়িশার বিধায়ক-সহ আরোও ৩৭ জন যাত্রী

পুলিশ সূত্রের খবর, বাসটি রামচন্দ্রপুরের কাছাকাছি আসতেই টায়ার ফেটে যায়। টায়ারের ঘর্ষণের ফলে মুহূর্তের মধ্যে বাসে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। সেই সময় অধিকাংশ যাত্রীই গভীর ঘুমে ছিলেন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ভুবনেশ্বর
  • শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ০৫:১৯

ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ যাওয়ার সময় পথ দুর্ঘটনা। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন ৩৭ জন বাস যাত্রী। বাসের মধ্যে ওড়িশার বিধায়ক মাঙ্গু খিল্লাও ছিলেন। শনিবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের রামভদ্রপুরমের কাছে চলন্ত বাসের টায়ার ফেটে যায়। টায়ার ফেটে আচমকাই আগুন লেগে যায়। চালকের তৎপরতায় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হলেও পুরো বাসটি পুড়ে যায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, বাসটি রামচন্দ্রপুরের কাছাকাছি আসতেই টায়ার ফেটে যায়। টায়ারের ঘর্ষণের ফলে মুহূর্তের মধ্যে বাসে আগুন ধরে যায় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। সেই সময় অধিকাংশ যাত্রীই গভীর ঘুমে ছিলেন। বিপদের গুরুত্ব বুঝতে পেরে চালক দ্রুত বাস থামিয়ে চিৎকার করে যাত্রীদের সতর্ক করেন এবং তাঁদের বাস থেকে নামানোর ব্যবস্থা করেন।

বাসে সওয়ার ওডিশার বিধায়ক মাঙ্গু খিল্লা জানান, তিনি ভুবনেশ্বরের রসুলগড় বাসস্ট্যান্ড থেকে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “রাত ৩টে নাগাদ আগুন ধরে যায়। পুরো বাসটি চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তবে সৌভাগ্যবশত, চালক সময়মতো আমাদের নামিয়ে দেওয়ায় বড় বিপদ ঘটেনি। পরে আমাদের অন্য একটি বাসে গন্তব্যে পাঠানো হয়।”

উল্লেখ্য, শনিবারের এই ঘটনা গত বছরের অক্টোবর মাসের এক স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছে। সেই সময় অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে একটি বাইকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। বাসে আগুন লেগে যাওয়ায় ২০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। এদিনের ঘটনায় প্রাণহানি না ঘটলেও বাসের ভেতর যে আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। আপাতত সব যাত্রীই নিরাপদ রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।


Share