Mamata Banerjee

ভবানীপুরে বাদ ৫০ হাজারের বেশি ভোটার, ভোটের আগে চাপে তৃণমূল, দাবি বিজেপির

এই বিবেচনাধীন তালিকার নিষ্পত্তির দায়িত্বে ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত যাচাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নামগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫০

ভোটের আগে ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা এবার ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে৫০ হাজার ৬১২-এ পৌঁছেছে। আগে খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে ৪৭ হাজার ১১২ জনের নাম বাদপড়েছিল। পরে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ১৪ হাজার ১৫৪টি নাম যাচাই করে আরও তিন হাজার৫০০ নাম বাদ দেওয়ায় মোট সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।

এই বিবেচনাধীন তালিকার নিষ্পত্তির দায়িত্বে ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয়আধিকারিকেরা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত যাচাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেইনামগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়রাজ্যজুড়ে ৬০ লক্ষাধিক নাম বিবেচনাধীন ছিল। পরবর্তী ধাপে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করেনিষ্পত্তির পর দেখা যায়, এই বিবেচনাধীন তালিকা থেকেই রাজ্যে ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনেরনাম বাদ পড়েছে। সব মিলিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়ায় মোট ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জন ভোটারেরনাম বাদ গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি নাম কাটা পড়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে।

তথ্যগত অসঙ্গতি ও বাদ পড়া নামের নিষ্পত্তি নিয়ে অসন্তোষের জেরে সুপ্রিম কোর্ট এই দায়িত্ব দেয়কলকাতা হাই কোর্টকে। বর্তমানে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারছেন।ইতিমধ্যে কয়েকটি ক্ষেত্রে ট্রাইবুনাল বাদ পড়া ভোটারের নাম ফের তালিকাভুক্ত করার নির্দেশওদিয়েছে।

এত বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ পড়ায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হবে, ফল প্রকাশ ৪ মে।ভবানীপুরে ভোট ২৯ এপ্রিল। এই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী, আর তাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেনবিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, যিনি নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকরছেন।


Share