Assembly Election

প্রথম দফার ভোটে লম্বা লাইন, কালীঘাট-ক্যামাক স্ট্রিটে টানা নজরদারিতে মমতা ও অভিষেক

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল থেকেই ভোটমুখী জেলার নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩২

বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে। সকাল থেকেই উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব সক্রিয় রয়েছে। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর এবং ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে নিয়মিত আপডেট নেওয়া হচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল থেকেই ভোটমুখী জেলার নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছেন। প্রতিটি কেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি বুথস্তরের কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছেন তিনি। একইভাবে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকেও জেলাভিত্তিক খবর সংগ্রহ করে তাঁকে জানানো হচ্ছে। নির্ধারিত কর্মসূচি থাকলেও ভোটপর্বের দিকে কড়া নজর রেখেছেন দু’জনেই।

অন্যদিকে, বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষ ভোট দিয়েই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করেছেন। শুভেন্দু অধিকারীর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, 'আমরা আসছি', ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ভোটার আজ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। তবে এই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন ইভিএমে কতটা পড়বে, তা স্পষ্ট হবে আগামী ৪ মে।

নির্বাচন কমিশন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বুথগুলিতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং ওয়েবকাস্টিং ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সব বুথেই প্রয়োজনীয় কর্মী ও সরঞ্জাম সময়মতো পৌঁছে গিয়েছে। সকাল থেকেই ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না মিললেও, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। প্রথম দফার এই ভোটের প্রবণতা পরবর্তী পর্যায়ের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।


Share