Mysterious Death

গড়িয়ায় আবাসনে গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু, পলাতক স্বামী, তদন্তে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ

বাড়ির ভিতর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। সেই সময় অসুস্থ ছেলে ঘরে থাকলেও স্বামীর খোঁজ মেলেনি।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, গড়িয়া
  • শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩৯

গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার একটি আবাসনে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম এনাক্ষী দাস। রবিবার সকালে এই ঘটনাটি সামনে আসে। প্রাথমিকভাবে স্বামী সৌমিক দাসের বিরুদ্ধেই সন্দেহের তির উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে বাড়ির পরিচারিকা প্রতিদিনের মতো কাজে এসেছিল। দরজায় বহুবার কড়া নাড়লেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া পাননি। এমনকি ফোন করেও এনাক্ষীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর তিনি প্রতিবেশীর কাছ থেকে চাবি নিয়ে দরজা খুলতে যান। তখন দরজাটি আগে থেকেই খোলা অবস্থায় দেখতে পান। ভিতরে ঢুকে তিনি একটি ঘরে অসুস্থ অবস্থায় ঘুমিয়ে থাকা আট বছরের ছেলেকে দেখতে পান। অন্য ঘরে বিছানার উপর এনাক্ষীর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পরিচারিকার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে। দেহ টিকে সোনারপুর রুরাল হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা এনাক্ষীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত স্বামী সৌমিক দাস পেশায় এক বেসরকারি কলেজের অধ্যাপক। গত চার বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ওই আবাসনের দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। তবে প্রতিবেশীদের সঙ্গে পরিবারের তেমন একটা মেলামেশা ছিল না বলেই জানা যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই সৌমিক দাসের কোনও খোঁজ মেলেনি। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। পারিবারিক অশান্তি, না কি মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত এগোচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


Share