Rocovery of Money

হাওড়া স্টেশনে ফের উদ্ধার বিপুল টাকা, শিপ্রা এক্সপ্রেস থেকে নামতেই যুবককে আটক করল আরপিএফ

তাঁকে আটক করে নগদ টাকা-সহ আয়কর দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিনে হাওড়া স্টেশনে পরপর নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় নজরদারি আরও বাড়িয়েছে আরপিএফ।

হাওড়া স্টেশন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া
  • শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২০

হাওড়া স্টেশনে ফের বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার। মধ্যপ্রদেশ থেকে কলকাতাগামী এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৪৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে আরপিএফ। ওই ব্যক্তি উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস বা বৈধতার সমর্থনে কোনও নথি দেখাতে পারেননি। তাঁকে আটক করে নগদ টাকা-সহ আয়কর দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিনে হাওড়া স্টেশনে পরপর নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় নজরদারি আরও বাড়িয়েছে আরপিএফ।

বৃহস্পতিবার হাওড়া স্টেশনের ১৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ডাউন শিপ্রা এক্সপ্রেস পৌঁছোনোর পরই ঘটনাটি সামনে আসে। বিদিশা থেকে কলকাতায় আসা যাত্রী রোহিত সিংয়ের গতিবিধি দেখে প্ল্যাটফর্মে থাকা আরপিএফের গোয়েন্দা আধিকারিকদের সন্দেহ হয়। তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই ৪৪ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়। তিনি এত বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে পারেননি। এরপরই আরপিএফ আধিকারিকেরা টাকা বাজেয়াপ্ত করে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে রোহিত দাবি করেন, কলকাতা থেকে সোনা কেনার জন্য ওই টাকা নিয়ে এসেছিলেন। তবে তাঁর দাবির সমর্থনে কোনও নথি কিংবা টাকার বৈধ উৎসের প্রমাণ মেলেনি। বিষয়টি আয়কর দফতরকে জানানো হয়। পরে আয়কর আধিকারিকরা হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে নগদ টাকা এবং রোহিতকে নিজেদের হেফাজতে নেন। টাকার উৎস ও লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

হাওড়া স্টেশনে বিপুল নগদ উদ্ধারের ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা সুজিত কালেকে আটক করে আরপিএফ। তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৬৭ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছিল বলে জানা যায়। এর কয়েক দিন পর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে আসা আরও এক যাত্রীকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স থেকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ২১ লক্ষ টাকা নগদ এবং সোনা উদ্ধার হয়েছিল।

পরপর এই ঘটনাগুলির জেরে হাওড়া স্টেশনে যাত্রীদের ব্যাগে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ নিয়ে যাতায়াত করা যাত্রীদের গতিবিধির উপর নজর রাখছেন আরপিএফের গোয়েন্দারা। তবে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হওয়া টাকার সঙ্গে কোনও বেআইনি লেনদেনের যোগ রয়েছে কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। 


Share