CJP Protest

আটকের পরে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, কথা বলতে দেওয়া হয়নি আইনজীবীর সঙ্গেও, আবার ‘নাটক’ ককরোচ নেতাদের

আটকের পর ফোন কেড়ে নেওয়া এবং আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগে সরব সিজেপি। জাফরপুর কালান থানার এসএইচওর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ফের বিতর্কে সিজেপি নেতাদের আটক।

আটক সিজেপি নেতাদের ফোন কেড়ে নেওয়া এবং আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ। জাফরপুর কালান থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব সিজেপি নেতৃত্ব।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:১৮

আটকের পরেই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল ফোন! আইনজীবীদের সঙ্গেও কথা বলতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। আবার ‘নাটক’ শুরু করল ককরোচ নেতারা। যন্তর মন্তরে গেট টপকে ঢোকার অভিযোগকে ১২ জনকে পুলিশ আটক করে।

ককরোচদের আইনি উপদেষ্টা রত্না সিংহ তাঁর সমাজমাধ‍্যমে একটি পোস্ট করে অভিযোগ করেন, জাফরপুর কালান থানায় আটক সৌরভদের সঙ্গে আইনজীবীদের কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর দাবি, আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেননি থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও)। ফলে আটক ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সিজেপির অভিযোগ, আটকের পর তাঁদের ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ থেকেও তাঁদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে সিজেপি নেতৃত্ব। আটক ব্যক্তিদের আইনি অধিকার এবং তাঁদের সঙ্গে আইনজীবীদের যোগাযোগের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দলটি। যদিও এই অভিযোগের পরে দিল্লি পুলিশের মন্তব্য এখনও আসেনি।

এরই মধ্যে আটক নেতাদের ঘিরে ফের ‘নাটক’ করছে বলে বিজেপি অভিযোগ করছে। ফলে ঘটনাটি শুধু আটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। একদিকে সিজেপির তরফে আটক ব্যক্তিদের ফোন কেড়ে নেওয়া এবং আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ, অন্যদিকে নেতাদের ভূমিকা নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

এখন নজর, সিজেপির এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ কী প্রতিক্রিয়া দেয় এবং আটক নেতাদের সঙ্গে আইনজীবীদের যোগাযোগের বিষয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়।


Share