Special Intensive Rivision

অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে অশান্তির আশঙ্কা! রাজ‍্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার কমিশনারকে প্রস্তুত নির্দেশ নবান্নের

নবান্নের আশঙ্কা, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যাঁদের নাম তাতেও থাকবে না, তাঁদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হতে পারে।

নবান্ন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ০৬:৩৬

সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা। তাতে অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাশাসক এবং পুলিশের সুপারদের সতর্ক করল নবান্ন। কলকাতা পুলিশের কমিশনারকেও প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার নবান্নের রাজ‍্যের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত‍্য বিষয়ক দফতরের সিনিয়র বিশেষ সচিব জেলাশাসকদের চিঠি পাঠিয়েছে। নবান্নের আশঙ্কা, অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পর যাঁদের নাম তাতেও থাকবে না, তাঁদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। কমিশন সূত্রের খবর, ৬৩ লক্ষের মধ্যে ২৭ লক্ষের তালিকা সোমবার প্রকাশিত হতে পারে। প্রায় ১০ লক্ষ বাদ যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ বা জমায়েতের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতেও বিশেষ নজরদারি চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  জেলা পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, আসন্ন বিধানসভা ভোটকে ঘিরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নির্বাচন কমিশন উদ্যোগী হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ‘জয়েন্ট ডেপ্লয়মেন্ট কমিটি’ গঠন করেছে। সোমবার দুপুরে কমিটির প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা। কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন হবে, কীভাবে বাহিনী কাজ করবে, সেই সমস্ত বিষয় এই কমিটিতেই নির্ধারিত হবে। কমিটিতে রয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র, রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার আনন্দ কুমার, সিআরপিএফ আইজি ও স্টেট ফোর্স কো-অর্ডিনেটর সলব মাথুর, সিএপিএফের কো-অর্ডিনেটর গৌরব শর্মা। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং বিশেষ তালিকা পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোট করাতে চাইছে কমিশন। সেই লক্ষ্যে নির্বাচনী কাজে যুক্ত আধিকারিকদের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই বৈঠক হচ্ছে। রবিবারও বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বুথে ওয়েবকাস্টিং আধঘণ্টার বেশি বন্ধ থাকলে সেখানে পুনর্নির্বাচন করা হবে।

ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জেলায় টহল, নাকা চেকিং এবং ক্যাম্প শুরু হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে আরও প্রায় দু’হাজার কোম্পানি বাহিনী আসতে পারে। সব মিলিয়ে ভোটের সময় রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সংখ্যা আড়াই লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে।


Share