Election Commission

নিরাপত্তায় জিরো টলারেন্স, স্বচ্ছতায় ডিজিটাল নজরদারি, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের

মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, প্রতিটি বুথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশেষ নজরদারি, রুট মার্চ এবং এরিয়া ডমিনেশন চালানো হচ্ছে।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক মনোজকুমার আগরওয়াল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৯

রাত পেরোলেই রাজ্যের দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই সাংবাদিক সম্মেলন করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক মনোজকুমার আগরওয়াল। এদিন তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে বিস্তারিত বার্তা দিল। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কমিশনের শীর্ষ আধিকারিক জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।

মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, প্রতিটি বুথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিশেষ নজরদারি, রুট মার্চ এবং এরিয়া ডমিনেশন চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী অনিয়ম বা বিধিভঙ্গের অভিযোগ পেলে কমিশন সঙ্গে সঙ্গে কড়া পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে ‘সি-ভিজিল’ অ্যাপ-সহ নির্দিষ্ট পোর্টাল ব্যবহার করে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভোটার হেল্পলাইন, সক্ষম অ্যাপ-সহ নানা উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটারদের সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা আদর্শ আচরণবিধি মেনে চলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উস্কানিমূলক মন্তব্য বা অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন কমিশনের আধিকারিক।

ভোটারদের নির্ভয়ে বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে মহিলা ও তরুণ ভোটারদের বেশি সংখ্যায় অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বয়স্ক ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভয়মুক্ত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনই তাদের প্রধান লক্ষ্য।


Share