Election Commission

দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনের আগে ঢেলে সাজানো হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, উড়বে ড্রোন, থাকছে ট্রিপল ক্যামেরা

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিশেষ নজরদারির জন্য ড্রোনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে তিনটি করে ক্যামেরা বসানো হবে বুথের ভিতরে দু’টি এবং বাইরে একটি।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫৫

প্রথম দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটদানের হারেও নজির গড়েছে রাজ্য। এই পরিস্থিতিকে সামনে রেখে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। সেই লক্ষ্যেই স্পর্শকাতর বুথগুলিতে নজরদারি বাড়াতে অতিরিক্ত ড্রোন মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বিশেষ নজরদারির জন্য ড্রোনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে তিনটি করে ক্যামেরা বসানো হবে— বুথের ভিতরে দু’টি এবং বাইরে একটি। শুধু বুথ চত্বর নয়, বুথমুখী সমস্ত রাস্তাতেও নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। বিশেষ করে কলকাতা, হুগলি, হাওড়ার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

সাধারণ, স্পর্শকাতর বা উত্তেজনাপ্রবণ এই তিন ধরনের বুথ নির্ধারণ করা কমিশনের দীর্ঘদিনের রীতি। তবু অতীতে ভোটের আগে, চলাকালীন ও পরে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা-অশান্তি রোখা না যাওয়ায় কমিশনকে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এ বার নজরদারির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

আগের নির্বাচনে অভিযোগ উঠেছিল, ক্যামেরা থাকলেও সেগুলি ঠিকমতো কাজ করত না বা নজরদারিতে ঢিলেঢালা ভাব ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া, এমনকী বুথের ভিতরে প্রভাব খাটানোর ঘটনাও সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও তাদের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সূত্রের খবর, নির্বাচনের পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী অন্তত এক মাস থাকবে।

এই সমস্ত অভিযোগ মাথায় রেখেই এ বার নজরদারিতে সর্বাধিক জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেই অনুযায়ী, প্রতি ১০টি বুথের জন্য একটি করে কুইক রেসপন্স টিম রাখা হচ্ছে। এই দলগুলির গাড়িতে ক্যামেরা ও জিপিএস সুবিধা থাকবে, যাতে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়।


Share