Election Commission

সিইও অফিসে ‘বস্তা বস্তা ফর্ম-৬’ অভিযোগে বিতর্ক, তৃণমূলের দাবি খারিজ করল নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী সিইও দফতরে ফর্ম-৬ জমা নেওয়া হয় না। ভোটার তালিকায় নতুন নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (ডিইও) দফতরেই জমা দিতে হয়।

রাজ্যের সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৩০

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরে বস্তা বস্তা ফর্ম-৬ জমা পড়েছে সোমবার এমন অভিযোগ তোলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগও জানানো হয়। তৃণমূলের দাবি ছিল, কমিশনও নাকি স্বীকার করেছে যে ‘বিপুল পরিমাণ ফর্ম-৬ জমা পড়েছে’।

তবে সেই দাবি সরাসরি খারিজ করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে জানানো হয়েছে, এই অফিসে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ নথি ও কাগজপত্র জমা পড়ে। গত কয়েক দিনেও বহু ব্যক্তি নানা ধরনের নথি জমা দিয়েছেন, যার অধিকাংশই ২৮ তারিখে প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ‘ডিলিটেড’ বা বাদ পড়া ভোটারদের সংক্রান্ত কাগজপত্র।

সিইও দফতরের স্পষ্ট বক্তব্য, ওই নথিগুলি ফর্ম-৬ নয়। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী সিইও দফতরে ফর্ম-৬ জমা নেওয়া হয় না। ভোটার তালিকায় নতুন নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (ডিইও) দফতরেই জমা দিতে হয়।

যদিও গত সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন। সেই দিন মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠকের পরে অভিষেক বলেছিলেন, ‘আমরা হাতেনাতে ধরেছি। প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম ৬ জমা দিয়ে বিহার, উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের এখানকার ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা হয়েছে।’


Share