Assembly Election

আরাবুলকে নিয়ে সংঘাত! প্রশ্নের মুখে সিপিএম-আইএসএফ জোট? তুঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য, বামফ্রন্ট দুর্নীতি, দুর্বৃত্ত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়ছে। আইএসএফ তৃণমূল এবং বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য আমাদের সাহায্য করছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে মহম্মদ সেলিম।
বৈশালী কর্মকার, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ১১:২০

বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আরাবুল ইসলাম দল ছেড়ে নওশাদ সিদ্দিকীর আইএসএফ-এ যোগ দিয়েছেন। আইএসএফ তাঁকেই ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এই নিয়েই এ বার সিপিএম-আইএসএফ বিবাদ তুঙ্গে উঠেছে। এ দিন সাংবাদিক সম্মেলনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, "ওই ব্যক্তিকে ‘বগলদাবা’ করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না।” তাঁর কথায়, সিপিএম এবং বামফ্রন্টের অবস্থান আইএসএফ-কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য, বামফ্রন্ট দুর্নীতি, দুর্বৃত্ত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়ছে। আইএসএফ তৃণমূল এবং বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ার জন্য আমাদের সাহায্য করছে। কিন্তু যাদের আমরা পরাস্ত করব, তাদের মধ্যে থেকে এক জনকে ‘বগলদাবা’ করব তা একসঙ্গে চলতে পারে না। বামফ্রন্ট এটিকে সমর্থন করে না বলেও মন্তব্য করেন সেলিম। 

এ ছাড়াও, তিনি আইএসএফের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "বিধানসভা, লোকসভা ও পঞ্চায়েত ভোটে ঘর, অফিস জ্বালিয়েছিল। আইএসএফ কর্মীরাও কষ্ট করে সংগঠন করছে। নির্বাচনের সময় এপাং-ওপাং করে একদল থেকে অন্য দলে চলে গেলে তাতে মানুষেরও ভালো হয় না, সংগঠনেরও ভালো হয় না।”

যদিও এই বিষয়ে আইএসএফ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। মেসেজ করা হলেও তিনি সেই বার্তারও জবাব দেননি। 

এর সঙ্গে বৃহস্পতিবার আরও সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে সিপিএম। এর আগে তিন দফায় ২৩৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বামফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার সাতটি আসন নিয়ে মোট ২৪৬ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হল।

জঙ্গীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছেন অলোককুমার দাস। রঘুনাথগঞ্জে সিপিএমের প্রার্থী আবুল হাসনাত, নাকাশিপাড়ায় প্রার্থী শুক্লা সাহা, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমে দেবাশিস চক্রবর্তী, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব থেকে প্রার্থী হয়েছেন মৃণাল বিশ্বাস, এগরায় প্রার্থী সুব্রত পাণ্ডা, ময়ূরেশ্বরে প্রার্থী জয়ন্ত ভাল্লা।


Share