DA Payment Uncertain

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও জটিলতা! বকেয়া ডিএ মেটাতে সময় বাড়ানোর আর্জি রাজ্যের, ক্ষোভ কর্মচারীদের

তার আগের তথ্য যাচাই করতে কয়েক লক্ষ কর্মীর হাতে লেখা ‘সার্ভিস বুক’ পরীক্ষা করতে হবে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। পাশাপাশি পেনশনভোগীদের তথ্য রাজ্য সরকারের কাছে না থেকে সিএজি দফতরে থাকায় সেই তথ্য সংগ্রহ করাও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৬ ০৬:৩৯

সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও সময় চেয়ে রাজ্য শীর্ষ আদালতে নতুন করে আবেদন করেছে। নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, বাস্তব পরিস্থিতিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার প্রথম কিস্তি পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন।

রাজ্যের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বকেয়া ডিএর দাবিদার সরকারি কর্মীর সংখ্যা প্রায় তিন লক্ষ ১৭ হাজার ৯৫৪ জন। তবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বেতনের নথি সংরক্ষণ শুরু হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে। তার আগের তথ্য যাচাই করতে কয়েক লক্ষ কর্মীর হাতে লেখা ‘সার্ভিস বুক’ পরীক্ষা করতে হবে, যা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। পাশাপাশি পেনশনভোগীদের তথ্য রাজ্য সরকারের কাছে না থেকে সিএজি দফতরে থাকায় সেই তথ্য সংগ্রহ করাও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আদালতে রাজ্য সরকার আরও জানিয়েছে, বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়টি রাজ্য বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভর করছে। তাছাড়া সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় প্রশাসনিক ব্যস্ততার মধ্যেও এত অল্প সময়ে এই বিশাল কাজ শেষ করা সম্ভব নয় বলেই দাবি রাজ্যের।

উল্লেখ্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ এরিয়ার-সহ আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এবং বাকি ৭৫ শতাংশ ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে রাজ্যের এই পদক্ষেপে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এর আগে নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়ে আন্দোলনকারীরা পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। এবার রাজ্য ফের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বকেয়া ডিএ পাওয়া নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। 


Share