Shoot Out

রাতের শহরে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক ব্যক্তি, পলাতক অভিযুক্ত, পারিবারিক বিবাদ বলে দাবি

ঘটনার পরে রক্তাক্ত অবস্থায় সন্তোষ চৌধুরীকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর পেটে গুলি লেগেছে। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানিয়েছে পুলিশ। আহত সন্তোষ চৌধুরী জোড়াবাগান এলাকার বাসিন্দা।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬ ১১:২৪

রাতের শহরে শ্যুটআউট। গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তি। তাঁকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তের ব‍্যক্তির নাম অমিত সোনকর ওরফে কার্তিক ওরফে খরগোশ। তাঁর খোঁজ এখনও মেলেনি।

আক্রান্ত ব্যক্তির নাম সন্তোষ চৌধুরী। শনিবার গভীর রাত ১২টা নাগাদ উত্তর বন্দর থানা এলাকার টেগর ঘাটের ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, ওই সময় অমিত সোনকর ওরফে কার্তিক দলবল নিয়ে টেগর ঘাট এলাকায় যায়। দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। এরই মধ্যে সন্তোষকে লক্ষ্য করে পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়। তার পরেই স্কুটিতে বসে চম্পট দেয়।

সূত্রের খবর, কার্তিক সন্তোষের ভায়েরা ভাই। সন্তোষের স্ত্রীর সঙ্গে কার্তিকের পারিবারিক বিবাদ চলছিল। তাই এই হামলা হয়েছে বলে পরিবার দাবি করেছে। ঘটনার পরে রক্তাক্ত অবস্থায় সন্তোষ চৌধুরীকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর পেটে গুলি লেগেছে। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানিয়েছে পুলিশ। আহত সন্তোষ চৌধুরী জোড়াবাগান এলাকার বাসিন্দা। 

ঘটনার পরে আকাশ চৌধুরী নামে সন্তোষের এক আত্মীয় উত্তর বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে। ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতার খুনের চেষ্টার মামলা এবং অস্ত্র আইনের দু’টি জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

যদিও অমিত সোনকর ও তাঁর দলবলের খোঁজ মেনেনি। পুলিশ এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। দ্রুত তাঁকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন লালবাজারের এক কর্তা।


Share