Political Chaos

ক্লাব দখলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র বারাসত! বিজেপির দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হৃদয়পুর, আক্রান্ত জেলা সভাপতি

অভিযোগ, ক্ষুব্ধ ‘নব্য বিজেপি’ কর্মী-সমর্থকরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পর পৌঁছেছে পুলিশ
নিজস্ব সংবাদদাতা, বরাসত
  • শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ০৬:০৯

বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বুধবার গভীর রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারাসতের হৃদয়পুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকা। ক্লাব দখলকে কেন্দ্র করে আদি ও নব্য বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাঁধে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েক জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সংঘর্ষ চলাকালীন ধারালো অস্ত্র নিয়েও হামলা চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি চলে বলে অভিযোগ। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এলাকায় সংঘর্ষের পর আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বারাসত জেলা বিজেপির সভাপতি রাজীব পোদ্দারের বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ ‘নব্য বিজেপি’ কর্মী-সমর্থকরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ঘটনার জেরে বারাসত-টাকি রোড ও হাসপাতাল চত্বরে একাধিকবার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা এবং মারামারির ঘটনা ঘটে।

বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার সঙ্গে জড়িত। দলের দাবি, ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণার পর বিজেপিতে যোগ দেওয়া একাংশই এই অশান্তির নেপথ্যে রয়েছে।

ঘটনার পরে এলাকায় পৌঁছোন বারাসতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত কাউকেই রেয়াত করা হবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও বিজেপির একাংশ আবার সরাসরি বিধায়কের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থলে যান বারাসত পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার পুষ্পা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং বারাসাতের এসডিপিও-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ঘটনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, পুলিশ দেরিতে পৌঁছনোর কারণেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।


Share