Supreme Court

প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে টেট বাধ্যতামূলক, মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত শুনানি হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে

সেটাই পুনর্বিবেচনার আর্জিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলাকারীদের অন্যতম, নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল সোমবার জানান, বিচারপতিদের চেম্বারের বদলে কোর্টরুমে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আর্জি জানাবেন তাঁদের আইনজীবীরা।

সুপ্রিম কোর্ট।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০৯

প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিকে কর্মরত টিচাররা টেট–এ সফল না হলে কি তাঁদের চাকরি ছাড়তেই হবে? মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ–সহ একাধিক রাজ্যের পাশাপাশি বেশ কিছু শিক্ষক সংগঠন রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল শীর্ষ কোর্টে।

২০২৫–এর ১ সেপ্টেম্বরের রায়ে সুপ্রিম কোর্টই জানিয়েছিল, এই টিচারের টেট বাধ্যতামূলক। না হলে দু’বছরের মধ্যে তাঁদের এই পরীক্ষায় সফল হতে হবে। না পারলে চাকরি ছাড়তে হবে বা বাধ্যতামূলক ভাবে অবসর নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে শুধু অবসরকালীন সুযোগ পাবেন তাঁরা। রায়ে ছাড় দেওয়া হয়েছিল সেই টিচারদের, যাঁদের অবসরের আর পাঁচ বছর বাকি। যে বেঞ্চ এই রায় দেয়, তাতে বিচারপতি মনমোহন বাদে ছিলেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। আজ ফের বিচারপতি দত্তর এজলাসেই নজর সংশ্লিষ্ট সকলের।

দেশে প্রায় ৩৩ লক্ষ টিচারের টেট নেই। এ দিকে শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই) ২০০৯ এবং এনসিটিই–র ২০১০ সালের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ওয়ান থেকে এইট পর্যন্ত শিক্ষকতায় টেট মাস্ট। কিন্তু বাংলায় টেট শুরু হয়েছিল ২০১১–র জুলাইয়ে। ফলে তার আগে নিযুক্ত অনেকে ২৫–৩০ বছর শিক্ষকতা করলেও টেট দেননি। আদালতের রায়ে এখন এঁদেরও পরীক্ষায় বসে সফল হতে হবে!

সেটাই পুনর্বিবেচনার আর্জিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলাকারীদের অন্যতম, নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল সোমবার জানান, বিচারপতিদের চেম্বারের বদলে কোর্টরুমে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আর্জি জানাবেন তাঁদের আইনজীবীরা। আর এক শিক্ষক নেতা ভীমসেন বিশওয়াল বলেন, ‘২০১৭–র ১৭ অক্টোবর বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার শীর্ষ কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানায়, টেট পাশ বাধ্যতামূলক। আমরা চাই, এর আগে নিযুক্তদের ছাড় দেওয়া হোক।’


Share