Heavy Snowfall

তুষারপাতের ফলে বিপর্যস্ত শৈলশহর, বন্ধ ৬৮৫টি রাস্তা

সাদা বরফের চাদরে ঢেকে গিয়েছে কিন্নর জেলা এবং সিমলার একাধিক জায়গা। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগর এলাকাতে তৈরি হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রবিবার পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে। মান্ডি, সোলান, কাংড়া, বিলাসপুর-সহ একাধিক জায়গায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:১০

প্রবল তুষারপাতে বিপর্যস্ত শৈলশহর। তুষারপাতের জেরে একাধিক রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় সার বেঁধে দাঁড়িয়ে রয়েছে গাড়ি। হোটেলগুলি পর্যটকদের ভিড়ে ঠাসা। ছবিটা হিমাচল প্রদেশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মানালির। সূত্রের খবর, কোঠি থেকে মানালি যাওয়ার রাস্তায় প্রায় ৮ কিলোমিটার লম্বা রাস্তা জুড়ে ট্র্যাফিক জ্যাম রয়েছে। সরকারি তরফে জানা গিয়েছে, হিমাচল প্রদেশ জুড়ে তুষারপাতের কারণে মোট ৬৮৫টি রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে। 

২৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি — সপ্তাহান্তে লম্বা ছুটি থাকায় অনেকেই ঘুরতে গিয়েছেন মানালিতে। সেই সময়েই শুরু হয়েছে তুষারপাত এবং বৃষ্টিপাত। একলাফে কমেছে তাপমাত্রাও। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে হোটেলের বাইরে বেরোতে পারছেন না পর্যটকরা। ফলে মানালির হোটেলগুলি প্রায় ১০০ শতাংশই ভর্তি। অনেক পর্যটকই তাই মানালিতে জায়গা না পেয়ে কুলুর দিকে চলে যাচ্ছে।

সরকারি সূত্রে খবর, তুষারপাতের জেরে মানালিতে মোট ৬৮৫টি রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে লাহুল-স্পিতিতে ২৯২টি, চাম্বাতে ১৩২টি, মান্ডিতে ১২৬টি, কুলুতে ৭৯টি, সিরমউরে ২৯টি, কিন্নরে ৪টি, উনাতে দু’টি এবং সোলানে একটি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। সূত্রের খবর, শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া ট্র্যাফিক জ্যাম কাটেনি শনিবার রাত পর্যন্ত। হাজার হাজার পর্যটক গাড়িতেই আটকে রয়েছেন।

হিমাচল প্রদেশের সরকারের তরফে শনিবারই একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৮ তারিখ, বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়ার এমন অবস্থাই চলবে রাজ্য জুড়ে, এমনটাই জানানো হয়েছে।  প্রায় চার মাস পরে হিমাচল প্রদেশে তুষারপাত হয়েছে। সাদা বরফের চাদরে ঢেকে গিয়েছে কিন্নর জেলা এবং সিমলার একাধিক জায়গা। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগর এলাকাতে তৈরি হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রবিবার পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে। মান্ডি, সোলান, কাংড়া, বিলাসপুর-সহ একাধিক জায়গায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


Share