Fake Doctor

ডিগ্রি নেই, তবুও দিব্যি রোগী দেখছেন! গুজরতে ১৫ দিনের অভিযানে চিহ্নিত ৩৮ ভুয়ো ডাক্তার, ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

তাঁদের মধ্যে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। অভিযোগ, কোনও স্বীকৃত ডাক্তারি যোগ্যতা বা শংসাপত্র ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের চিকিৎসা করে আসছিলেন তাঁরা।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, গুজরত
  • শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১০:০২

গুজরতে ভুয়ো চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান পুলিশের। ১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে মোট ৩৮ জন সন্দেহভাজন ভুয়ো চিকিৎসককে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। অভিযোগ, কোনও স্বীকৃত ডাক্তারি যোগ্যতা বা শংসাপত্র ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের চিকিৎসা করে আসছিলেন তাঁরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধভাবে চিকিৎসা চালানোর অভিযোগ সামনে আসতেই ভুয়ো ডাক্তারদের খোঁজে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। স্বাস্থ্য দফতর ও পুলিশের মোট ২৯৮ জন আধিকারিক ও কর্মীকে নিয়ে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। যৌথভাবে ১৫ দিন ধরে চলে তল্লাশি ও তদন্ত। সেই অভিযানে ৩৮ জন সন্দেহভাজন চিকিৎসকের নাম উঠে আসে। তাঁদের মধ্যে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর। সবচেয়ে বেশি ভুয়ো চিকিৎসকের সন্ধান মিলেছে রাজকোট জেলায়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও বৈধ ডাক্তারি ডিগ্রি বা শংসাপত্র ছাড়াই সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গুজরতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রফুল পনশেরিয়া জানিয়েছেন, রাজ্যের কোথাও যাতে কোনও ভুয়ো চিকিৎসক সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারেন, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, এই অভিযান মাত্র ১৫ দিনের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎসবের মরশুম শেষ হওয়ার পর আরও জোরদারভাবে ভুয়ো চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।


Share