Assembly Election

শ্রীরামপুরে বিরোধীদের সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না! অভিযোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের দিকে, একযোগে সরব বিরোধীরা

গতকাল প্রথম দফার নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় হুগলিতে-সহ অন্যান্য জেলায় নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই প্রচারে ঝড় তুলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। প্রচারের শেষ লগ্নে এসে দলের শীর্ষনেতৃত্বদের এনে ক্ষমতা প্রদর্শন এর লড়াইও চলছে।

(বাঁ দিক থেকে) প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এবং তৃণমূল কাউন্সিলর সন্তোষ সিংহ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শ্রীরামপুর
  • শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:০৫

রাজ্যের প্রথম দফা নির্বাচন বৃহস্পতিবারই শেষ হয়ে গিয়েছে। এখনও আরেক দফা নির্বাচন বাকি। এখানে বিরোধীদের অভিযোগ, কোন ছোটখাটো সভা বা বড় সমাবেশ করার জন্য অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের দাবি, তৃণমূল কাউন্সিলরের সন্তোষ সিংহ ওরফে পাপ্পুর জন্যই তাঁদের এই অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে।

গতকাল প্রথম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবেই শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় হুগলিতে-সহ অন্যান্য জেলায় নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই প্রচারে ঝড় তুলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। প্রচারের শেষ লগ্নে এসে দলের শীর্ষ নেতৃত্বদের এনে ক্ষমতা প্রদর্শন এর লড়াইও চলছে। আর সেই জায়গাতেই বিরোধীদের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। অন্য কোন দলের সভা করার অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে, শাসকদল আগে থেকেই মাঠ দখল করে রেখেছে। এমনকী, রাহুল গান্ধীর সভার জন্যও মাঠের অনুমতি মেলেনি। সমস্ত বিরোধীরা একযোগে সরব হয়েছে।

শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এখানকার কাউন্সিলর সন্তোষ সিংহের প্রভাবেই বিরোধীদের অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এখানকার এক বিজেপি নেতা বলেন, "এ ভাবে বিজেপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না। কমিশনকে অভিযোগ করা হয়েছে। তারা যত উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।" অন্যদিকে, একই অভিযোগের সুর মিলেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তাঁর অভিযোগ, বারং বার বলা সত্ত্বেও কোনও কাজ হয়নি। ওরা এ বার কার্যত ভয় পেয়েছে।“

তৃণমূল কাউন্সিলর পাপ্পু সিংহের দাবি, “যে মাঠে সভা করার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল, সেখানে খেলা চলছে। খেলা চলাকালীন মাঠ কী করে দেওয়া যায়।” তৃণমূল কাউন্সিলর এ-ও দাবি করেন, “পুলিশ এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এতে কোনও রাজনৈতিক কারণ নেই। আর ওরা এসেই বা কী করবে? মানুষ তো আর তাঁদের ভোট দেবে না।”


Share