BJP

বোর্ড গঠন ঘিরে বোমাবাজি, উত্তপ্ত বীরভূমের বুধিগ্রাম পঞ্চায়েত, বোমাবাজির জেরে মাঝপথেই ফিরলেন বিজেপির নয় সদস্য

বিজেপির অভিযোগ, বোমাবাজির জেরে তাদের ৯ সদস্য পঞ্চায়েতে পৌঁছোতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

কড়া নিরাপত্তা পুলিশের
নিজস্ব সংবাদদাতা, রামপুরহাট
  • শেষ আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫৯

বোর্ড গঠনকে ঘিরে উত্তপ্ত বীরভূমের রামপুরহাট-২। মঙ্গলবার তারাপীঠ থানার বুধিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে নতুন প্রধান নির্বাচনের কথা ছিল। তার আগেই পঞ্চায়েত চত্বর সংলগ্ন এলাকায় শুরু হয় বোমাবাজি। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়।

বুধিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ২৪টি। এর মধ্যে বিজেপির দখলে ৯টি আসন রয়েছে। বাকি ১৫টি আসন রয়েছে তৃণমূল, কংগ্রেস এবং নির্দলদের হাতে। বেশ কিছুদিন আগে বর্তমান প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছিল। সেই কারণে মঙ্গলবার নতুন করে প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া হওয়ার কথা ছিল।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা ছিল। কিন্তু আচমকাই বোমাবাজি শুরু হয়। একের পর এক বোমা ফাটার ঘটনায় স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অনেকে এলাকা ছেড়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। তবে কারা বোমাবাজির সঙ্গে জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একের পর এক বোমা ফেলার কারণে দলের মহিলা পঞ্চায়েত সদস্যরা সেখানে পৌঁছোতে পারেননি। বিজেপির দাবি, ন'জন সদস্য নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পঞ্চায়েতের উদ্দেশে রওনা হলেও বোমাবাজির কারণে মাঝপথ থেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হন। ফলে তাঁদের অনুপস্থিতিতেই বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

অন্যদিকে, পঞ্চায়েত অফিসের কক্ষে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ১৫ জন সদস্য পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বোমাবাজির খবর পেয়ে রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। পঞ্চায়েত অফিসের ১০০ মিটারের মধ্যে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

এখন প্রশ্ন, এই পরিস্থিতির মধ্যে শেষ পর্যন্ত নতুন প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে কি না। উল্লেখ্য, এর আগেও গত ২৭ অগস্ট বুধিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় সেই নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করে দিয়েছিল প্রশাসন।


Share