Drug Seized

পঞ্জাবের তরন তারনে হেরোইন পাচার করতে গিয়ে গ্রেফতার পুলিশ কনস্টেবল, ৫১ কোটি টাকার হেরোইন উদ্ধার করল এনসিবি

তদন্তকারীরা মনে করছে, এই মাদক পাচারের চক্র পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ঘটনায় নিরাপত্তা ও মাদক পাচার প্রতিরোধে নিযুক্ত কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ধৃতের নাম করণদীপ সিংহ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, জলন্ধর
  • শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫৭

পঞ্জাবের তরন তারন জেলায় ১৫ কেজি হেরোইন সমেত গ্রেফতার হলেন পঞ্জাব পুলিশের এক কনস্টেবল। ধৃতের নাম করণদীপ সিংহ। মাদক পাচারের অভিযোগে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অভিযানে এই পুলিশ কনস্টেবল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ধৃত কনস্টেবল করণদীপ সিংহ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় পঞ্জাব পুলিশের অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। সীমান্তের ওপার থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদকপাচারের বিরুদ্ধে নজরদারির স্বার্থে এই ইউনিট তৈরি করা হয়েছিল।

অভিযোগ, সেই সীমান্ত এলাকা থেকেই মাদকের একটি চালান হবে বলে গোপনে সূত্রে গোয়েন্দারা জানতে পারেন। সেই মতো তরন তারনের পাকিস্তান সীমান্ত লাগোয়া সরাই আমানত খান এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানার ভুসে গ্রামে এই বিপুল পরিমাণ হেরোইন সংগ্রহ করার সময় তাঁকে আটক করা হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে করণদীপ সিংহকে গ্রেফতার করে। তাঁকে পঞ্জাব পুলিশ সাসপেন্ড করেছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাঁর কাছ থেকে ১৫ কেজি হেরোইন উদ্ধার হয়েছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫১ কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। পরে তাঁকে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনসিবির হাতে তুলে দেওয়া হয়। কার কাছ থেকে পাচারের হেরোইন আসছিল তা জানতে করণদীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করানো হবে।

তদন্তকারীরা মনে করছে, এই মাদক পাচারের চক্র পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ঘটনায় নিরাপত্তা ও মাদক পাচার প্রতিরোধে নিযুক্ত কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উল্লেখ্য, পঞ্জাবের তরন তারন জেলা পাকিস্তান লাগোয়া। চলতি মাসে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে দুই পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে নিকেশ হয়। চলতি বছরের এই জেলায় পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতে মাদকপাচার চক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সামনেই পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার আগেই মাদকপাচারের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবলের গ্রেফতারিতে প্রশাসনের অন্দরেই আলোচনা শুরু হয়েছে।


Share