CISF Fratricide

জম্মু-কাশ্মীরের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সিআইএসএফ ক্যাম্পে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি, নিহত চার জওয়ান, তদন্ত কমিটি গঠন করল সদর দফতর

অভিযুক্ত জওয়ানকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তাঁকে বুধবার আদালতে হাজির করানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই কনস্টেবল ২০০৯ ব্যাচের। বর্তমানে তিনি বাহিনীতে হেড কনস্টেবল পদে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৪৭

মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় এক সিআইএসএফ জওয়ানের গুলিতে তাঁরই চার সহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ার বাসোহলি এলাকার সেওয়া-II জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে বলে এক আধিকারিক জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত জওয়ানকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তাঁকে বুধবার আদালতে হাজির করানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ওই কনস্টেবল ২০০৯ ব্যাচের। বর্তমানে তিনি বাহিনীতে হেড কনস্টেবল পদে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, গুলি চালানোর কিছু ক্ষণ আগে বাহিনীর জওয়ানদের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে বচসা হয়েছিল। সেই বচসা কীভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় পরিণত হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সেওয়া-II জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন ছিলেন ওই জওয়ানেরা। ক‍্যাম্পের মধ‍্যেই সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ঘটনায় বাহিনীর চার সদস্য প্রাণ হারান।

একই বাহিনীর সদস্যের হাতে সহকর্মীদের খুনের ঘটনাকে সাধারণত তাঁদের পরিভাষায় ‘ফ্র্যাট্রিসাইড’ (সহকর্মীকে খুন) বলা হয়। তবে গুলি চালানোর সঠিক উদ্দেশ্য এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। খবর পেয়ে কাঠুয়া পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি বাহিনী তরফে ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। সিআইএসএফ সদর দফতর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পুরো ঘটনার ধারাবাহিকতা এবং কী কারণে এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল, তা তাঁরা খতিয়ে দেখবেন। কীভাবে বচসার শুরু হল, তার আগে কী ঘটেছিল, কী পরিস্থিতিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল এবং ঘটনার আগে কোনও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বা দায়িত্ব পালনে কোনও গাফিলতি ছিল কি না— তা-ও তাঁরা তদন্ত করে দেখবেন।


Share