Election Commission

২৫ লক্ষ কর্মী এবং এক হাজার ১১১ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক, পাঁচ রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটে নজিরবিহীন প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশনের

গত ১৫ মার্চ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরালা, তামিলনাডু এবং পন্ডিচেরির নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এ বার দু’দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ০৬:৪০

নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনার জন্য ২৫ লক্ষেরও বেশি কর্মী নিয়োগ করেছে। এই বিশাল নির্বাচনী ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৩২টি বিধানসভা এলাকায় ভোটপর্ব তদারকির জন্য এক হাজার ১১১ জন পর্যবেক্ষক নিয়োজিত হয়েছেন। ভোট চলাকালীন তাঁরাই কমিশনের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে কাজ করবেন।

গত ১৫ মার্চ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরালা, তামিলনাডু এবং পন্ডিচেরির নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এ বার দু’দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটগণনা হবে ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, এই পাঁচ অঞ্চলে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৭ কোটি ৪০ লক্ষেরও বেশি।

নির্বাচনী কাজে মোট ২৫ লক্ষাধিক কর্মী নিয়োগের অর্থ, গড়ে প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য একজন করে কর্মী থাকছেন। ভোট ঘোষণার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। ভোটারেরা যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য এই বিপুল কর্মীবাহিনীকে সক্রিয় রাখা হয়েছে।

নিযুক্ত কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটকর্মী, সাড়ে আট লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী, ৪০ হাজার গণনাকর্মী, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজ়ার্ভার। গণনার জন্য অতিরিক্ত ১৫ হাজার মাইক্রো অবজ়ার্ভারও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ভোটারদের সহায়তায় প্রায় দু'লক্ষ ১৮ হাজার বুথ স্তরের আধিকারিক (বিএলও) দায়িত্বে থাকবেন।

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট এক হাজার ১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের মধ্যে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক রয়েছেন। অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিমধ্যেই নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ বা তথ্য জানাতে পারবেন। 


Share