Assembly Election

হুমায়ুনের হাত ধরল এআইএমআইএম, প্রার্থী ঘোষণা জনতা উন্নয়ন পার্টির, দু’টি আসনে লড়বেন ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক

দলের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মার্চ কলকাতা থেকে বাকি আসনগুলির প্রার্থীর নাম জানানো হবে। ২৮ মার্চ প্রকাশিত হবে নির্বাচনী ইস্তাহার। হুমায়ুন কবীর জানান, সুস্বাস্থ্য, আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা— এই বিষয়গুলিকেই তাঁদের দল নির্বাচনে মূল হাতিয়ার করছে।

জেইউপি নেতা হুমায়ুন কবির।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১২:১০

সিপিএম বা আইএসএফ কারোর সঙ্গেই জোট হল না। আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল এআইএমআইএমের হাত ধরল হুমায়ুন কবিরের জনতা উন্নয়ন পার্টি। তিনি জানিয়েছেন, বিধানসভা নির্বাচনে জেইউপির সঙ্গে জোট চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। রবিবার দুপুরে  হুমায়ুন কবিরের জনতা উন্নয়ন পার্টি ১৪৯টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামে তাঁরা প্রার্থী দিয়েছে। হুমায়ুন লড়ছেন রেজিনগর এবং নওদা থেকে।

সিপিএম এবং আইএসএফের সঙ্গে জোট করবে হুমায়ুন কবিরের দল জনতা উন্নয়ন পার্টি- তা নিয়ে জল্পনা ছিল। রবিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটল। এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিধানসভা ভোটে লড়ার কথা ঘোষণা করলেন। আগামী বুধবার তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

হুমায়ুন ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক। তিনি এ বারে সেখান থেকে লড়ছেন না। রেজিনগর এবং নওদা থেকে তিনি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন জামাই ইয়াসির হায়দার রানিনগর থেকে ভোটে লড়ছেন। নন্দীগ্রাম থেকে লড়বেন শহিদুল হক এবং ভবানীপুর থেকে দাঁড়িয়েছেন পুনম বেগম। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের আসনে এখনও কোনও প্রার্থী দেয়নি তাঁরা। দলীয় সূত্রের খবর, তৃণমূলের টিকিট না পাওয়া আবদুল করিম চৌধুরী জেইউতে যোগ দিতে পারেন। দলের একটি অংশ মনে করছে, সেই কারণেই ওই বিধানসভা কেন্দ্রটি ছেড়ে রাখা হয়েছে।

দলের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মার্চ কলকাতা থেকে বাকি আসনগুলির প্রার্থীর নাম জানানো হবে। ২৮ মার্চ প্রকাশিত হবে নির্বাচনী ইস্তাহার। হুমায়ুন কবীর জানান, সুস্বাস্থ্য, আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা— এই বিষয়গুলিকেই তাঁদের দল নির্বাচনে মূল হাতিয়ার করছে।

ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে সিপিএম। আইএসএফ কোন কেন্দ্রে তাঁরা প্রার্থী দেবে তা জানিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনে জিততে সংখ‍্যালঘু ভোট তৃণমূলের কাছে বড় অস্ত্র। সিপিএম-আইএসএফ জোট এবং জেইউপি-এআইএমআইএম জোট সেই ভোটব‍্যাঙ্কে ভাঙন ধরাতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


Share