Railway Update

পুজোর আগে যাত্রী পরিষেবায় জোর, ব্যারাকপুরে নতুন টিকিট কাউন্টার, শিয়ালদহ-বালিগঞ্জে আধুনিক শৌচাগার

পুজোর আগেই দমদম স্টেশনেও একই ধরনের শৌচাগার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে রেলের। উৎসবের মরসুমে বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দেওয়া এবং স্টেশনে প্রয়োজনীয় পরিষেবা আরও উন্নত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

বালিগঞ্জ স্টেশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:০৪

দুর্গাপুজোর আগে যাত্রী পরিষেবার মানোন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ করল শিয়ালদহ ডিভিশন। ব্যারাকপুর স্টেশনে চালু হল নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টার। অন্যদিকে, শিয়ালদহ ও বালিগঞ্জ স্টেশনে যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে আধুনিক ‘পে অ্যান্ড ইউজ’ শৌচাগার। পুজোর আগেই দমদম স্টেশনেও একই ধরনের শৌচাগার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে রেলের। উৎসবের মরসুমে বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দেওয়া এবং স্টেশনে প্রয়োজনীয় পরিষেবা আরও উন্নত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

ব্যারাকপুর স্টেশনের রানাঘাট প্রান্তে তৈরি করা হয়েছে নতুন টিকিট বুকিং কাউন্টারটি। এর ফলে টিকিট কাটার জন্য যাত্রীরা অতিরিক্ত একটি কাউন্টার পেলেন। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে এবং পুজোর মরসুমে টিকিটের লাইনে ভিড় কমাতে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে মনে করছে রেল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, কাউন্টারটির অবস্থান এমন ভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা স্টেশনের প্রশস্ত ফুট ওভারব্রিজ ও অতিরিক্ত প্রবেশপথ আরও সহজে ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে স্টেশনে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও সুবিধা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, শিয়ালদহ ও বালিগঞ্জ স্টেশনে বিমানবন্দরের আদলে তৈরি আধুনিক ‘পে অ্যান্ড ইউজ’ শৌচাগার মঙ্গলবার থেকে সাধারণ যাত্রীদের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। পুরুষ, মহিলা এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম যাত্রীদের জন্য রয়েছে পৃথক ব্যবস্থা। পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দমদম স্টেশনেও এই ধরনের শৌচাগার তৈরির কাজ চলছে। পুজোর আগেই সেখানে পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে রেলের।

শিয়ালদহের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার রাজীব সাক্সেনা জানিয়েছেন, যাত্রীদের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই স্টেশনগুলির পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দুর্গাপুজোর সময়ে শহরতলির ট্রেনে যাত্রীসংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে যায়। সেই কথা মাথায় রেখে টিকিট কাটার সুবিধা বৃদ্ধি এবং স্টেশনে প্রয়োজনীয় পরিষেবা আরও সহজলভ্য করতে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পুজোর মরসুমে যাত্রীদের যাত্রা আরও স্বচ্ছন্দ ও সুবিধাজনক করে তোলাই রেলের লক্ষ্য।


Share