Santosh Pathok

‘তৃণমূলকে সরাতে একমাত্র বিজেপিই পারবে’, প্রার্থী হতেই স্বমহিমায় সন্তোষ পাঠক, চৌরঙ্গি থেকে লড়বেন তিনি

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চৌরঙ্গি বিধানসভায় মোট ভোটার ছিল দু’লক্ষ ৮ হাজারের বেশি। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেস ৬৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। বিজেপি মোট ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০১

তৃণমূলকে সরাতে পারবে একমাত্র বিজেপিই! চৌরঙ্গি বিধানসভায় দল তাঁকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতেই স্বমহিমায় নামলেন বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠক। তার পরেই এমনই দাবি করেন তিনি।

গত সপ্তাহেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন প্রভাবশালী প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা সন্তোষ পাঠক। গুঞ্জন চলছিল অনেক আগে থেকেই। সন্তোষ পাঠক বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বিজেপির প্রার্থী হবেন তিনি। চৌরঙ্গী বিধানসভার সম্ভাবনাই ছিল সবথেকে বেশি। সমস্ত গুঞ্জনকে সত্যি করে মঙ্গলবার সকালে সন্তোষ পাঠককের নাম চৌরঙ্গি বিধানসভার জন‍্য ঘোষণা করে বিজেপি।

সকালে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরেই নিজে ওয়ার্ড ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সন্তোষ পাঠক। সেখানে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। তার মতে, আমি বিজেপিতে গেছি বিরোধীদের হাত শক্ত করার জন্য। কংগ্রেস ও সিপিএমের বিধানসভায় একটাও আসন নেই। চৌরঙ্গি বিধানসভা বিজেপির দখলে আসলে বিরোধীদেরই হাত শক্ত হবে। 

গত বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। যদিও গতবারের ভোট জয়কে একেবারেই গুরুত্ব দিতে চান না বিজেপি নেতা সন্তোষ। তাঁর অভিযোগ, "নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় চুরি করে জিতে ছিলেন। অবাধে ছাপ্পা ভোট হয়েছিল।" যদিও এ বিষয়ে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করা হলে তিনি ফোন তোলেননি। মেসেজ করা হলেও তিনি তাঁরও কোনও জবাব দেননি। 

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চৌরঙ্গি বিধানসভায় মোট ভোটার ছিল দু’লক্ষ ৮ হাজারের বেশি। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেস ৬৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। বিজেপি মোট ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এসআইআর-এর ফলে এই বিধানসভায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী , এই কেন্দ্রের খসড়া তালিকায় মোট ৭৮ হাজার ভোটারের সংখ্যা বাদ গিয়েছে। যা কলকাতার মধ্যে অবস্থিত বিধানসভা কেন্দ্রগুলির মধ্যে সর্বাধিক। ২০২৬ সালে এখনও পর্যন্ত চৌরঙ্গি বিধানসভার মোট ভোটারের সংখ্যা এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৩৫০ জন। 

গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দেবদত্ত মাঝিকে প্রার্থী করেছিল। নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন। এ বারে বিজেপির সন্তোষ পাঠকের ওপরে ভরসা করেছে। কারণ চৌরঙ্গি বিধানসভা এলাকায় তাঁর যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। চার বারের কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর হয়েছেন। এলাকায় দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত তিনি। নিজের জয় নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী সন্তোষ। আগামী  নির্বাচনে কি হবে তার দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


Share    

BJP