Kolkata Municipal Corporation

পুজোর আগে শহরের খানাখন্দ ভরাটে জোর, বৃষ্টিতে পিছিয়েছে রাস্তা মেরামতের কাজ

তবে বৃষ্টি থামলেই রাতে রাস্তার গর্ত ও খানাখন্দ মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে।

রাস্তা মেরামতির কাজ চলছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৫৩

দুর্গাপুজোর আগে কলকাতার খানাখন্দে ভরা রাস্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে কলকাতা পুরসভার। বার বার বৃষ্টির কারণে রাস্তা মেরামতের কাজ ব্যাহত হওয়ায় সেপ্টেম্বরের মধ্যে মেরামত শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বৃষ্টি থামলেই রাতে রাস্তার গর্ত ও খানাখন্দ মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে।

বৃহস্পতিবার তিনি জানান, এ দিন ইএম বাইপাস সংলগ্ন একাধিক রাস্তা পরিদর্শন করেছেন তিনি। স্মিতা বলেন, ‘‘প্রথমে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শহরের সমস্ত রাস্তা মেরামত করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মাঝেমধ্যে বৃষ্টির কারণে কাজের গতি থমকে গিয়েছে।’’ তাঁর দাবি, বৃষ্টি না হলে রাতেও পুরকর্মীরা রাস্তা মেরামতের কাজ করছেন। এই কাজে পুরসভার ১৩টি গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বরোর আধিকারিকেরাও নিয়মিত বিভিন্ন রাস্তা পরিদর্শন করছেন বলে জানান তিনি।

উৎসবের মরসুম শুরুর আগেই শহরের রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একের পর এক দুর্যোগে সেই কাজে ছন্দপতন হয়েছে। ফলে পুরসভার পূর্ত বিভাগের উপর চাপ বেড়েছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রাস্তা মেরামতের কাজে আরও গতি আনার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে পুরসভা সূত্রে খবর।

রাস্তা সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে একাধিক যোগাযোগের ব্যবস্থাও চালু রেখেছে পুরসভা। বাসিন্দারা ২২৮৬১২১২, ২২৮৬১৩১৩ এবং ২২৮৬১৪১৪ নম্বরে ফোন করতে পারবেন। পুরসভার কল সেন্টারের নম্বর ২২২৬৯৯০৯ এবং ২২৮৬১০০০। এ ছাড়াও টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০৩৪৫৩৩৭৫ এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ৮৩৩৫৯৯৯১১১-এ অভিযোগ জানানো যাবে। পুরসভার কন্ট্রোল রুম এবং জন-অভিযোগ ব্যবস্থাকে এক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রশাসক।

এরই মধ্যে ২ থেকে ৪ অক্টোবর কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় চলবে ‘সেবা সেতু’ অভিযান। মোট ১৫৭টি জায়গায় এই শিবিরের আয়োজন করা হবে। স্মিতা জানান, ২ ও ৩ অক্টোবর বিভিন্ন ওয়ার্ডে একযোগে শিবির হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, উচ্চশিক্ষা, অর্থ, বন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প-সহ মোট ১৫টি দফতর এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে।

শিবিরগুলিতে বিশেষ স্বাস্থ্য কাউন্টার থাকবে। সেখানে ডেঙ্গি ও যক্ষ্মা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। থাকবে ই-কেওয়াইসি কাউন্টারও। পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরও করা হবে। কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্পের আওতায় রেরা-সংক্রান্ত সুবিধাও পাওয়া যাবে এই শিবিরগুলি থেকে। স্মিতার কথায়, ‘‘এই শিবিরগুলির মাধ্যমে মানুষের চাহিদা সম্পর্কেও জানা যাবে।’’


Share