Suvendu Adhikari

বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে আমন্ত্রণ শুভেন্দু অধিকারীকে, গুরুত্বে রাজ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা

১৩ অক্টোবর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে এই নৈশভোজের আয়োজন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৫৩

প্রথম বিমসটেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বৈঠক উপলক্ষ্যে আয়োজিত নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। ১৩ অক্টোবর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে এই নৈশভোজের আয়োজন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বিমসটেকের সাতটি সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সন্ত্রাসবাদ, আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ, মাদক ও মানব পাচার, উগ্রপন্থা, অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং সাইবার হুমকির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলির মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতের পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্ব যথেষ্ট। বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নেপাল ও ভুটানের নিকটবর্তী অবস্থানের জন্য সীমান্তপারের অপরাধ, মানব পাচার ও মাদক চোরাচালান রুখতে রাজ্যের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, বঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন উপকূলীয় অবস্থানের কারণে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিমসটেকের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির পরিস্থিতি, অভিজ্ঞতা এবং উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও এর মাধ্যমে উঠে এসেছে।

বিমসটেকের সদস্য দেশগুলির মধ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতা আরও মজবুত করা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য। সন্ত্রাসবাদ থেকে শুরু করে আন্তঃদেশীয় অপরাধ—বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে তোলার দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে।


Share